উল্লেখ্য, গত ১২ জুন প্রয়াত হন করিশ্মার প্রাক্তন স্বামী ও শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুর। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যার ছায়া ছিল। শোনা যায়, মধুচন্দ্রিমার সময় সঞ্জয় নাকি করিশ্মাকে এক রাতের জন্য তাঁর বন্ধুদের কাছে ‘নিলামে’ তুলেছিলেন।
.png.webp)
কী হবে সঞ্জয়ের বিপুল সম্পত্তির?
শেষ আপডেট: 31 July 2025 22:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুরের ৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তিকে ঘিরে জোর টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। সেই আবহেই ছেলেমেয়ে সামাইরা ও কিয়ানকে নিয়ে দিল্লিতে পৌঁছেছেন করিশ্মা কাপুর। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরে করিশ্মা ও তাঁর সন্তানদের একটি ভিডিও। কেন হঠাৎ দিল্লি, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা শার্ট ও নীল জিনস পরে তড়িঘড়ি এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে নিজের গাড়িতে উঠছেন করিশ্মা। তাঁকে অনুসরণ করে এগোচ্ছে কিয়ান ও সামাইরা। করিশ্মার এমন তৎপরতা দেখে অনেক নেটিজেনের অনুমান, সম্ভবত পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা দেখে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে লুকাতে চেয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন প্রয়াত হন করিশ্মার প্রাক্তন স্বামী ও শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুর। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যার ছায়া ছিল। শোনা যায়, মধুচন্দ্রিমার সময় সঞ্জয় নাকি করিশ্মাকে এক রাতের জন্য তাঁর বন্ধুদের কাছে ‘নিলামে’ তুলেছিলেন। বিয়ের শেষ পর্যায়ে করিশ্মা গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগও আনেন তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও ডিভোর্সের সময় মোটা অঙ্কের খোরপোশ নিয়েছিলেন তিনি—যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৭০ কোটি টাকা। সঙ্গে ১৪ কোটি টাকার একটি বন্ড, যাতে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো যায়। প্রতি মাসে করিশ্মা পান ১০ লক্ষ টাকা সুদ।
তবে এবার প্রশ্ন উঠছে, প্রয়াত স্বামীর ৩০ হাজার কোটির সম্পত্তিতে করিশ্মার কোনও ‘দাবি’ রয়েছে কি না। যদিও বলিপাড়ার একাংশের দাবি, সঞ্জয়ের উইলে করিশ্মার নাম নেই। এমনকি সোনা কমস্টার কোম্পানির মালিকানা নিয়েও নাকি শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। কাপুর পরিবারের ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, করিশ্মার এই বিপুল সম্পত্তিতে কোনও দাবিই নেই, এবং তিনিও কিছু চান না। তাঁর মূল চিন্তা ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েই।
তবে রহস্য বাড়িয়েছে সঞ্জয়ের মা রানি কাপুরের সাম্প্রতিক ‘বিস্ফোরক মন্তব্য’। যদিও তিনি কারও নাম নেননি, তাঁর মন্তব্য ঘিরেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে—তাঁর নিশানায় কি করিশ্মা? না কি প্রিয়া সচদেব বা পরিবারের অন্য কেউ?
সব মিলিয়ে সঞ্জয়ের মৃত্যুর পর একে একে উঠে আসছে পুরনো বিতর্ক, নতুন অজানা তথ্য—আর তাতেই তুঙ্গে আগ্রহ বলিপাড়া ও দর্শকমহলে।