
শেষ আপডেট: 31 December 2023 11:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার বছর শেষ। একটু গান শোনা হবে না!
মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে, বছরের এই শেষ দিনটাই এক কিংবদন্তি গায়ক, গীতিকার ও সুরকারের জন্মদিনও বটে। তাঁর গিটারের সুর সেই কত বছর আগে দেশ, মহাদেশের সীমানা ভেঙে দিয়েছিল। কত কত ভাষায় তাঁর গান নিজেদের মতো অনুবাদ করে গাওয়া হয়েছিল। আজ প্লে লিস্টে তাঁর গান থাকবে না?
কে এই সঙ্গীতশিল্পী?
তিনি এক মার্কিন গায়ক, গিটারিস্ট ও সঙ্গীত পরিচালক। আবার অভিনেতা এবং পরিবেশ ও মানবাধিকার কর্মীও। নিজের কাজের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্যতম 'কালচারাল আইকন' হিসেবে পরিচিত এই মানুষটি। যাঁর হাত ধরে উঠে এসেছে মার্কিন অ্যাকুয়াস্টিক ফোক মিউজিক। বলা হয়ে থাকে, এই জঁরের অন্যতম ধারক ও বাহক তিনিই। নাম জন ডেনভার।
১৯৪৩ সালে ৩১ ডিসেম্বর যখন গোটা বিশ্ব নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায়, সেইসময় আমেরিকার নিউ মেক্সিকোর রোসওয়েল শহরে জন্ম ডেনভারের। সেখানে বেড়ে ওঠা। বরাবর নিজেকে একজন ‘কান্ট্রি বয়’ হিসাবে পরিচয় দিতে ভালবাসতেন। পরে যখন গান বাঁধতে শুরু করলেন নিজের সেই পরিচয়কে গানের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রোতাদের কাছে।
ডেনভারের অধিকাংশ জনপ্রিয় গানের শিরোনামও এই ‘কান্ট্রি’ বিষয়টিকে ঘিরে। ‘টেক মি হোম, কান্ট্রি রোডস’, ‘পোয়েমস, প্রেয়ারস অ্যান্ড প্রমিসেস’, ‘রকি মাউন্টেন’, ‘ক্যালিপসো’, ‘থ্যাঙ্ক গড আই অ্যাম আ কান্ট্রি বয়’—উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। সাত এবং আটের দশকে তাঁর গানের কথায়-সুরে মুগ্ধ হননি, এমন গান-পাগল খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। যে কোনও বড় পার্টিতে কিংবা পাবে অনুরোধের আসরে প্রায়ই শোনা যেত তাঁর গান।
তবে দিন বদলেছে। শতাব্দী বদলেছে। নতুন জেনারেশনের পছন্দেও একটা আমূল পরিবর্তন হয়েছে। আজকাল ডিস্ক হোক বা পানশালা—একটু লারে লাপ্পা গান না হলে নেশার মৌতাত জমে না। ৩১ ডিসেম্বর বর্ষশেষের পার্টিতেও তেমনটাই হয়তো হবে। কিন্তু বার্থডে বয় জন ডেনভারের গান কি এই দিন কোথাও জায়গা পাবে না! বাড়িতে হোক বা বন্ধুদের আড্ডায়, কোনও কিশোর কি গিটার হাতে গান ধরবে না, ‘কান্ট্রি রোডস টেক মি হোম!’