Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

'ক্রিসমাস শুধু একদিনের জন্য নয়, প্রতিদিনের জন্য': জয়া আহসান

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিসমাস মানেই তাতে লাল রঙের ছোঁয়া তো থাকবেই।‌ যেন শীতের সবচেয়ে বড় উৎসবের প্রধান রঙই লাল। তেমনই বছরের শেষে এই উৎসবে মেতেই সারাবছরের মনখারাপ, গ্লানি, অন্ধকার ভুলে নতুন বছরের জন্য তৈরি হন প্রত্যেকে। ভালবাসায় ভরিয়ে দেন প

'ক্রিসমাস শুধু একদিনের জন্য নয়, প্রতিদিনের জন্য': জয়া আহসান

শেষ আপডেট: 26 December 2020 06:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিসমাস মানেই তাতে লাল রঙের ছোঁয়া তো থাকবেই।‌ যেন শীতের সবচেয়ে বড় উৎসবের প্রধান রঙই লাল। তেমনই বছরের শেষে এই উৎসবে মেতেই সারাবছরের মনখারাপ, গ্লানি, অন্ধকার ভুলে নতুন বছরের জন্য তৈরি হন প্রত্যেকে। ভালবাসায় ভরিয়ে দেন প্রিয়জনদের। ক্রিসমাসের সকালে জয়া সেই বার্তাই পৌঁছে দিলেন তাঁর অনুরাগীদের কাছে। ক্রিসমাসের দিন লাল ড্রেস পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি করেছেন জয়া আহসান। একরঙা পোশাকের সঙ্গে সেজেছেন হিরের নজরকাড়া গয়নায়। ছিমছাম। তবে ভীষণ এলিগেন্ট। একগাদা গয়নায় সাজেননি তিনি। শুধু হাতে পরেছেন ব্রেসলেট। কানে একটু লম্বা দুল। আঙুলে পরেছেন তিনটে স্মার্ট ডিজাইনের আংটি। ছবির ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, "ক্রিসমাস শুধু একদিনের জন্য নয়। প্রতিদিনের জন্য। ভালবাসায়, ভালরাখায় ভরিয়ে দেওয়া উচিত প্রতিদিন।" জয়ার নাম করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কপালে সিঁদুর ধেবড়ানো 'পদ্মা'র মুখ। এপার বাংলার বেশিরভাগ মানুষই এ বিষয়ে সহমত হন। বিসর্জনে তাঁকে দেখার পর থেকেই বাংলায় তৈরি হয়ে গেছে তাঁর আলাদা ফ্যান ক্লাব। নিজের দেশের ছবির কাজে যেমন ব্যস্ত থাকেন, তেমনই এ বাংলার ছবির কাজের চাপও পড়ে তাঁর উপর। কাজের সুবিধের জন্য কলকাতায় বাসা বেঁধে তাঁকে থাকতে হয় বছরের অনেকটা সময়। বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী কলকাতায় এসে মাত্র কয়েকবছরের মধ্যে নিত্যনতুন চরিত্রে অভিনয় করে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন সকলকে। অন্যদিকে ফ্যাশন ফটোশ্যুটের জন্যেও জয়া কলকাতার ফোটোগ্রাফার, ডিজাইনারদের কাছে ভীষণ প্রিয়।‌ টলি পাড়ায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে নতুন সিনেমার স্ক্রিপ্ট তাঁর হাতে রয়েছে। নতুন বছরেই হয়তো তাঁকে ফের আবার বড় পর্দায় দেখা যাবে, তার জন্যেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাঁর পাগল অনুরাগীরা।

```