
শেষ আপডেট: 17 February 2024 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৫৮তম জ্ঞানপীঠ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন গুলজার। ১৭ ফেব্রুয়ারি জ্ঞানপীঠ কমিটি থেকে এই খবর জানানো হল।
গুলজার ২০০২ সালে উর্দু ভাষার জন্য সাহিত্য অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড পান, ২০১৩ সালে দাদাসাহেব ফালকে ও ২০০৪ সালে পান পদ্মভূষণ, ২০১০-এ পান গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডও। এছাড়াও পেয়েছেন প্রায় পাঁচটি জাতীয় পুরস্কার। বেঙ্গল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে গুলজার সত্যজিৎ রায় লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিলেন।
জ্ঞানপীঠের সিলেকশন কমিটি জানান, গুলজার সহ এই পুরস্কার দেওয়া হবে সংস্কৃত সাহিত্যিক জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্যকেও। ।
শুধু গীতিকারই নন, গুলজার একজন চিত্রনাট্যকার এবং মূলত কবি। উর্দু ও পাঞ্জাবি ভাষায় কবিতা লিখেছেন তিনি। শুধু হিন্দি ছবিতেই নয়, তিনি অন্যান্য ভাষাতেও কাজ করেছেন। গুলজারের লেখা মানেই এক ভিন্ন চরিত্র যা শৈল্পিক দিক থেকে অত্যন্ত উঁচু মানের।
ওঁর পরিচালিত 'কোশিশ', 'আঁধি, 'ইজাজত', 'মাসুম' ইত্যাদি ছবিগুলো সকলের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।
মুম্বই আসার পর একটা গ্যারেজে থাকতেন এই বর্ষীয়ান গীতিকার। গাড়ি রং করতেন তিনি। একটি সাক্ষাৎকারে জানান ওঁর বিভিন্ন ধরনের রং খুব ভালো লাগত। তাই হয়তো এ কাজটা করতে পারতেন।
'বন্দিনী' ছবির গীতিকার হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেন গুলজার। বিমল রায় ও হৃষীকেশ মুখার্জির হাত ধরেই তিনি বলিউডে পা রেখেছিলেন। হৃষীকেশ মুখার্জির ছবিতে প্রথম সংলাপ লেখেন গুলজার।
অভিনেত্রী রাখিকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ওঁদের সন্তান মেঘনা গুলজার পরিচালক হিসেবে বলিউডে নিজের জায়গা শক্ত করেছেন। মেয়ের পরিচালিত ছবিগুলিতে তিনি গীতিকার হিসেবেও কাজ করেছেন।