ঈশা জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু দুপুর গড়াতেই হঠাৎ করে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চারদিকে বিভ্রান্তি, উদ্বেগ—কেউই ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলেন না কী ঘটছে। পরে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং তার জেরেই বিমান চলাচলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

শেষ আপডেট: 3 March 2026 18:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠার জেরে আবুধাবিতে আটকে পড়েছিলেন অভিনেত্রী ঈশা গুপ্ত । অবশেষে তিনি দেশে ফিরেছেন। ৩ মার্চ সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্টে গত কয়েক দিনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি।
ঈশা জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু দুপুর গড়াতেই হঠাৎ করে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চারদিকে বিভ্রান্তি, উদ্বেগ—কেউই ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলেন না কী ঘটছে। পরে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং তার জেরেই বিমান চলাচলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
তিনি লেখেন, সেই মুহূর্তে উপস্থিত যাত্রীরা কেউই পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন না। অচেনা মানুষ একে অপরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, সবাই নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। ভয় আর অনিশ্চয়তার মধ্যেও এক অদ্ভুত সংহতির ছবি তিনি দেখেছেন বলে জানান।
বিমানবন্দরে যাত্রীদের খাবারের জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয় এবং যাঁদের ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল, তাঁদের আবুধাবির বিভিন্ন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশেই হোটেলগুলোতে যাত্রীদের রাখা হয় বলে জানান ঈশা। তিনি বিশেষভাবে প্রশংসা করেন হোটেল কর্মীদের। তাঁর কথায়, ভয় ও চাপের মধ্যেও তাঁরা ধৈর্য ধরে কাজ করেছেন, কাউকে আতঙ্কিত হতে দেননি।
২ মার্চ দিল্লিগামী প্রথম বাণিজ্যিক উড়ানে ওঠার সুযোগ পান ঈশা। নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে উল্লেখ করে তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান—যাঁরা কঠিন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সরকারের সহায়তা এবং ভারত সরকারের আশ্বাস ও উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন তিনি।
সবশেষে তিনি লেখেন, নিরাপদে ঘরে ফিরতে পেরে কৃতজ্ঞ। এই কঠিন অভিজ্ঞতা তাঁকে মানুষে মানুষে সহমর্মিতার শক্তির কথা নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছে।