
শেষ আপডেট: 2 October 2020 14:15
ইনস্টাগ্রামে মুকেশ জানিয়েছেন, "এবার দুনিয়াকে খবরটা জানানোর সময় এসেছে। দ্বিতীয়বার আসছে শক্তিমান। বন্ধুরা আমি অফিশিয়ালি এ কথা জানাচ্ছি যে শক্তিমান-২ আসছে। তবে টেলিভিশন বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নয়, শক্তিমান ফিরছে বিগ স্ক্রিনে ট্রিলজি নিয়ে।" মুকেশ আরও বলেছেন, "ধীরে ধীরে সব জানানো হবে। তবে এখনকার জন্য এটাই বলতে পারি যে খুব বড় একটি প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে। যা তৈরি হবে তা কৃশ কিংবা রা ওয়ান এসবের থেকে অনেক বড় কিছু হবে। আর এটা শক্তিমানের জন্য ঠিকই আছে।"
https://www.instagram.com/p/CF1OHbWJP5b/?igshid=18knjg8ic1piz
৯০ দশকে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল টেলিভিশন। তাতে আবার হাতেগুণে সম্প্রচারিত হয় কয়েকটাই চ্যানেল। যার মধ্যে একটি ডিডি ন্যাশনাল। সপ্তাহের অন্যদিন ছোটদের কাছে এই চ্যানেলের গুরুত্ব তেমন না থাকলেও শনিবার রাত থেকেই শুরু হয়ে যেত প্রস্তুতি। রবিবার সকাল সকাল উঠে পড়াশোনার বেশিরভাগটাই সেরে নিত বাচ্চারা। তারপর চলতি শক্তিমান দেখার পালা। জেন ওয়াইয়ের ভাষায় এমন কোনও 'নাইনটি'স কিড' বোধহয় নেই যে শক্তিমান দেখেনি।
১৯৯৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ‘শক্তিমান’-এর প্রথম এপিসোডের সম্প্রচার হয়েছিল। তারপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমাগত বেড়েছে জনপ্রিয়তা। ২০০৫ সালের ২৭ মার্চ ধারাবাহিকটির শেষ এপিসোডের সম্প্রচার হয়। এর মাঝে অবশ্য শক্তিমানের মতো স্টান্ট দেখাতে গিয়ে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটিয়ে ফেলেছিল বাচ্চারা। তাই শোয়ের শেষে মুকেশ খান্না নিজেই সতর্কবার্তা দিতেন। তবে যাই হয়ে যাক না কেন শক্তিমানের জনপ্রিয়তা এখনও একটুও কমেনি। টেলিভিশনে এই অনুষ্ঠান চলাকালীন বাচ্চাদের স্কুলের ব্যাগ, জলের বোতল, টিফিন বক্স, পেনসিল বক্স, শক্তিমান পুতুল এমনকি শক্তিমানে পোশাকও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। রবিবার ছুটির দিনে টেলিভিশনে শক্তিমান দেখা ঘিরে কত শত স্মৃতি যে নব্বইয়ের দশকের ছেলেমেয়েদের মধ্যে রয়েছে তার ইয়ত্তা নেই।
এবার সেই নস্ট্যালজিয়াই ফিরতে চলেছে নতুন রূপে, নতুন প্ল্যাটফর্মে। সময়ের সঙ্গে যেমন পরিবর্তন এসেছে শক্তিমান বানানোর ক্ষেত্রে সেসব মাথায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন মুকেশ খান্না। এই ধারাবাহিকের বাকি জনপ্রিয় চরিত্র যেমন গীতা, ডক্টর জয়কাল, কিলভিশ, এদেরকেও ফের পর্দায় দেখা যাবে কিনা সে ব্যাপারে অবশ্য এখনই স্পষ্ট ভাবে কিছু যায়নি। তবে শক্তিমান নতুন ভাবে যে দাপটের সঙ্গে ফিরছে এবং তা দর্শকমহলে ফের সাড়া জাগাবে সেটা মুকেশের কথাতেই স্পষ্ট।