দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্যই টুইটার থেকে সাসপেন্ড হয়েছে রঙ্গোলি চান্দেলের অ্যাকাউন্ট। তারপরেই তিনি বলেছিলেন যে এবার এইসবের বিরুদ্ধে সরব হবেন বোন কঙ্গনা। কারণ কঙ্গনা অনেক বড় অভিনেত্রী। প্রতিবাদের জন্য তাঁর হাতে অনেক রাস্তা আছে। ফলে আমেরিকা ঘেঁষা এবং ভারতবিরোধী সোশ্যাল মিডিয়া ‘টুইটার’-এর প্রয়োজন হবে না তাঁর।
দিদির কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিলেন কঙ্গনা। রঙ্গোলির সমর্থনে হিমাচলের কন্যা এবার বলেছেন, সকলের উচিত টুইটারের মত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে বয়কট করা। এবং উচিত কথা বলার জন্য নিজেদের মাধ্যম খুঁজে নেওয়া। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন কঙ্গনা। সেখানেই অভিনেত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে গণতান্ত্রিক দেশে সকলের কথা বলার অধিকার রয়েছে।
https://www.instagram.com/p/B_HZoYXF_4A/
কঙ্গনার কথায়, “টুইটারের মত প্ল্যাটফর্ম আমাদের দেশ থেকেই প্রচুর আর্থিক লাভ করে। অথচ এই প্ল্যাটফর্মে এদেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জঙ্গি বলে তোপ দেগে দেন অনেকে। আর তার বিরুদ্ধে বলতে গেলে সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়। তাই আমাদের দেশের উচিত এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম বাতিল করা।“ পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কঙ্গনা আবেদন করেছেন যাতে দেশের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়।
তবে এখানেই শেষ নয়। ববিতা ফোগাটের প্রসঙ্গ টেনে এনেও কঙ্গনা বলেছেন, “রাষ্ট্রের সমর্থনে কথা বলার জন্য ওঁকে নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। আজ ওঁর কিছু হয়ে গেলে আগামীদিনে কেউ রাষ্ট্রের সমর্থনে কথা বলবে। কেন্দ্রের কাছে ওঁর নিরাপত্তার জন্য দাবি জানাচ্ছি।“ প্রসঙ্গত, গতকালই রঙ্গোলি চান্দেলের টুইটে সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন কমনওয়েলথে সোনাজয়ী কুস্তিগীর ববিতা ফোগাট। করোনা সংক্রমণের জন্য জামাতের বিরুদ্ধেই তোপ দেগেছিলেন তিনি। সঙ্গে বলেছিলেন রঙ্গোলি কোনও ভুল করেননি। তিনিও যা বলেছেন ঠিকই বলেছে। তাই হাজার হুমকি এলেও মন্তব্যে অনড় থাকবেন। পাশাপাশি ববিতা এও বলেন যে টুইটার আজকার সত্যি কথা বলা লোকেদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দিচ্ছে। এরপরেই ববিতার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ডের দাবিতে টুইটারে ফুঁসে ওঠেন টুইটারিয়ানরা।