দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাত্র ৩৪ বছর বয়সে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মতো মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। অভিনেতার এমন মর্মান্তিক পরিণতি মানতে পারেননি কেউই। মৃত্যুর পর যেন আরও বেশি করে বেঁচে উঠেছেন 'সুশ'। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে ঘুরছে তাঁর ছবির বিভিন্ন ক্লিপিংস। বিশেষ করে টাইমলাইনে ঘুরেফিরে আসছে 'এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি'-র বিভিন্ন দৃশ্য। সেইসব দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছেন নেটিজেনদের প্রায় সকলেই।
আর এই সবের মধ্যেই নতুন করে ভাইরাল হয়েছে পুরোনো একটি খবর। ২০১৭ সালের সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, ধোনির বায়োপিকে অভিনয় করার জন্য নাকি পরিচালককে খুব অনুরোধ করেছিলেন অক্ষয় কুমার। তবে সুশান্তের বদলে অন্য কাউকে নিতে রাজি হননি নীরজ পাণ্ডে। নিঃসন্দেহে নীরজ বুঝেছিলেন যে এই ছবিতে তাক লাগিয়ে দেবেন সুশান্ত। পারফেকশনের মাইলস্টোন তৈরি করবেন তরুণ অভিনেতা। পরিচালককে হতাশ করেননি সুশান্ত। মনজয় করে নিয়েছিলেন দর্শকদেরও।
কিন্তু কেন অক্ষয়কে নিতে চাননি নীরজ?
আক্কি পরিচালক নীরজের অন্যতম পছন্দের অভিনেতা হলেও মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিকের জন্য সুশান্তকেই বেছে নিয়েছিলেন তিনি। নীরজ বলেন, ১৬-১৭ বছরের ছেলের চরিত্রে অক্ষয়কে মানাত না। তাই অক্ষয়কে না বলে দেন তিনি। সেই সঙ্গে সুশান্তের উপর বিশ্বাসও জন্মেছিল পরিচালকের। বুঝেছিলেন স্ক্রিপ্টের যথাযোগ্য সম্মান রাখবেন সুশান্ত।
সুশান্ত সিং রাজপুতের কেরিয়ারের অন্যতম সফল ছবি হয়ে থাকবে ধোনির বায়োপিক। সুশান্তের নিখুঁত অভিনয় দর্শক মনে রাখবেন আজীবন। নীরজ নিজেও বলেছেন, অসাধারণ ভাবে ধোনির হাঁটাচলা, কথাবার্তা, স্টাইল এককথায় পুরো যদি ল্যাঙ্গুয়েজ দারুণ ভাবে রপ্ত করেছিলেন সুশান্ত। মুখের দিকে না তাকালে সত্যিই পর্দায় মাঝে মাঝে রিল আর রিয়েলের ধোনির মধ্যে ফারাক বোঝা যায়নি সিনেমায়।
অক্ষয় নিজেও বছর দুয়েক আগের ওই সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে নীরজ তাঁকে খুব ভাল ভাবে বুঝিয়ে বলেছিলেন যে এই চরিত্র তাঁর জন্য নয়। পর্দায় ধোনিকে নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন সুশান্ত সিং রাজপুত-ই।