ওঁরা রাঁধেন, চুলও বাঁধেন। যে হাতে স্টেথো ধরেন সেই হাতেই তুলে নেন মেকআপের ব্রাশ, কেউ মাইক আবার কেউ বা গিটার। শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় তাঁরা, অথচ ওঁদের প্রত্যেকেই পাশ করেছেন ডাক্তারি।
.png.webp)
শেষ আপডেট: 1 July 2025 21:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওঁরা রাঁধেন, চুলও বাঁধেন। যে হাতে স্টেথো ধরেন সেই হাতেই তুলে নেন মেকআপের ব্রাশ, কেউ মাইক আবার কেউ বা গিটার। শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় তাঁরা, অথচ ওঁদের প্রত্যেকেই পাশ করেছেন ডাক্তারি। কেউ এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন, আবার কেউ আপাতত বন্ধ রেখেছেন। কেউ নামের পাশে 'ডক্টর' ব্যবহার করেন। আবার কেউ বা তা ছাড়াই এগিয়ে চলেছেন বর্তমান পেশায়। জাতীয় চিকিৎসক দিবসে আলাপ করা যাক টলিপাড়ার চিকিৎসকদের সঙ্গে।
শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়
এই তালিকায় প্রথমেই নাম আসে অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের। ছোট থেকেই পড়াশোনায় ছিলেন অসাধারণ মেধাবী। ১৯৫৩ সালে ভর্তি হন মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল, কলকাতায়। ১৯৬০ সালে পাশ করেন এমবিবিএস। কিন্তু অভিনয় তাঁকে টেনেছিল। সেই কারণেই আসা এই পেশায়। তবে উত্তম কুমার একবার সত্যজিৎ রায়ের ‘চিড়িয়াখানা’ ছবির শুটিংয়ে অসুস্থ হলে তাঁকে বাঁচিয়েছিলেন শুভেন্দুই।
বাসুদেব মুখোপাধ্যায়
বহু ছবি ও ধারাবাহিকে তিনি পরিচিত মুখ। বাসুদেব চট্টোপাধ্যায় কিন্তু একজন স্বনামধন্য চিকিৎসকও। দুই দিকেই সমানভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর কাজ।
সিধু
আসল নাম সিদ্ধার্থ হলেও তাঁকে সবাই চেনে সিধু বলেই, কেউ ভালবেসে ডাকেন ক্যাকটাস সিধু নামে। সিধুও ডাক্তারি পাশ করেছিলেন। আজ প্র্যাকটিস করেন না ঠিকই, তবে চাইলেই নামের পাশে ওই বিশেষ তকমা যোগ করতেই পারেন তিনি।
কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়
জার্নি শুরু হয়েছিল এক নন ফিকশন শো'র হাত ধরে। চিকিৎসক মানেই যে বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থাকা নয় তা প্রমাণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সেন্স অব হিউমর প্রশংসিত হয়েছিল সব মহলে। চিকিৎসার পাশাপাশি এখন তিনি হাত পাকিয়েছেন পরিচালনাতেও।
কিঞ্জল নন্দ
আরজি কর কাণ্ডে প্রতিবাদীদের মধ্যে যে নাম বারেবারে উচ্চারিত হয়েছে গত বছর তিনি কিঞ্জল নন্দ। কিঞ্জল সুঅভিনেতা তা প্রমাণ করেছেন আগেই। পাশাপাশি পড়াশোনায় মেধাবী এই অভিনেতা কিন্তু চিকিৎসকও।