মাস্টার মশাই আপনি কিছুই দেখেননি, বাংলা ছবির কালজয়ী সংলাপ। সিনেমার নামটা মনে আছে? হ্যাঁ! ঠিক ধরেছেন, তপন সিনহার আতঙ্ক। আতঙ্কে যাঁর সিনে দুনিয়ায় অভিষেক, এবার কি ভূত হয়ে আতঙ্ক ছড়াতেই তিনি বড়পর্দায় ফিরছেন? বাৎসরিক আড্ডায়, আজ এক শতাব্দী গল্পেই তাঁর উত্তর খুঁজি বরং!

শতাব্দী রায় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 30 May 2025 12:42
মাস্টার মশাই আপনি কিছুই দেখেননি, বাংলা ছবির কালজয়ী সংলাপ। সিনেমার নামটা মনে আছে? হ্যাঁ! ঠিক ধরেছেন, তপন সিনহার আতঙ্ক। আতঙ্কে যাঁর সিনে দুনিয়ায় অভিষেক, এবার কি ভূত হয়ে আতঙ্ক ছড়াতেই তিনি বড়পর্দায় ফিরছেন? বাৎসরিক আড্ডায়, আজ এক শতাব্দী গল্পেই তাঁর উত্তর খুঁজি বরং!
সাদা-কালো শাড়িতে যখন খানিক দূরে বসে বাংলা ছবির অন্যতম সেলিব্রেটেড নায়িকা শতাব্দী রায়। কিন্তু এখন কি তিনি নায়িকা কম। রাজনীতিক বেশি? তাই তো না হলে কেন বারবার বলা হচ্ছে মৈনাক ভৌমিকের ‘বাৎসরিক’ ছবিতে তাঁর কামব্যাক? প্রথম প্রশ্ন ছিল, অভিনেত্রীর কাছে ‘আতঙ্ক’র মতো ছবিতে ভয়কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, এখন রাজনীতিতে কী আপনাকে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত করে? খানিক চুপ করলেন, বেশ ভাবলেন তারপর বললেন, ‘রাজনৈতিক আতঙ্ক ঠিক কোন অর্থে? যদি মানুষের সব কাজ করতে পারব কি না, যে বিশ্বাস ওঁরা রেখেছে, সেই কথাগুলো সব রাখতে পারব কি না, ওঁরা আমাকে ভুল বুঝবে না তো, এইগুলো কাজ করে, তা আতঙ্কের জায়গা! যে বিশ্বাস নিয়ে এসছি, যে ভালবাসা নিয়ে ওঁরা আমার কাছে এসেছে, তা যেন নষ্ট না হয়’
এতগুলো বছর পরে বড় পর্দায় ফেরা অভিনেত্রীর। সময়ের নিয়মে বদল ঘটেছে। পরিবর্তন হয়েছে কনটেন্টে, অভিনয়ের ধরণ এবং টেকনিক্যালিটি। ঠিকঠাক মানিয়ে নিতে পেরেছেন শতাব্দী? ভয় কাজ করেছে কি কখনও?
‘আমি পুরোপুরি পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের ভরসায় আছি। এবং ওঁকে বলেছি যে তোমার অনেকটা দায়িত্ব, তুমি যেভাবে বলবে, আমি সেভাবেই কাজ করব। আমার ভাবনার থেকে তোমার ভাবনাকে প্রাধান্য দিচ্ছি। সেখানে ওঁর দািয়ত্ব অনেক বেশি। কিন্তু বাকি তো কিছু ভয় রয়েছে, এতদিন পরে ফেরা। জেনারেশন পাল্ট গিয়েছে। পরিবেশ বদলেছে। কনটেন্ট বদলে গেছে। সেই কনটেন্টের সঙ্গে কতটা মেলাতে পেরেছি, তা দর্শক দেখবে।’
মুখ্যমন্ত্রীর ‘পছন্দের অভিনেত্রী’ শতাব্দী রায়। ব্যক্তিগত পরিসরে বহুবার তাঁর অভিনয় নিয়ে কথাও হয়েছে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি জানেন শতাব্দী রায়ের বড় পর্দায় কামব্যাকের খবর? প্রশ্ন শুনে বোলপুরের সাংসদের মুখে এক গাল হাসি, তারপর বললেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়নি। খুব তাড়াতাড়ি শুটিং শুরু হয়েছে এবং শেষ হয়েছে। তার মধ্যে ওঁর সঙ্গে দেখা হলেও, ছবি নিয়ে কথা হয়নি। কিন্তু সৌগতদা (সৌগত রায়, সাংসদ) সেদিন বললেন, তুমি তো দেখলাম মৈনাক ভৌমিকের ছবি করছ, তখন ভাবলাম, মৈনাকের নামটা জানে, তাহলে আমি ঠিক পরিচালকের সঙ্গেই কাজ করছি।’