আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী রুনা লায়লা (Runa Laila) বলেছেন, 'মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল। উপমহাদেশের দুই মহান কিংবদন্তি শিল্পী একে একে চলে গেলেন।

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে রুনা লায়লা
শেষ আপডেট: 12 April 2026 16:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে (Asha Bhosle Died) শোকের ছায়া বাংলাদেশে (Bangladesh)। এই উপমহাদেশের আরেক কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা তাঁর প্রাণপ্রিয় আশা দিদি'র মৃত্যুর খবর শোকাহত।
আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে (Asha Bhosle Died) বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী রুনা লায়লা (Runa Laila) বলেছেন, 'মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল। উপমহাদেশের দুই মহান কিংবদন্তি শিল্পী একে একে চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর (Lata Mangeshkar) দিদি ২০২২ সালে চলে গেলেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর জন্মাবে না।'
#बांग्लादेश में कई पीढ़ियों ने पद्म विभूषण, #आशाभोसले जी (92) के जाने का गहरा दुख जताया है। RIP.
भले ही वह #भारत से थीं, लेकिन सीमाओं के पार लाखों लोग उनके दीवाने हैं।
वह हमारे 🇧🇩यादों में हमेशा रहेंगी, उनके 12,000+ अमर गानों🎶 की वजह से, और मेरे लिए तो #बॉलीवुड #हिंदी #चलचित्र… pic.twitter.com/EhKHolltxJ— Riaz Hamidullah (@hamidullah_riaz) April 12, 2026
দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ এক্স পোস্টে আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে তার দেশের তরফের শোক প্রকাশ করে এক বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম গভীর শোক ও বেদনার সঙ্গে স্মরণ করছে আশা ভোঁসলেকে। তাঁর আত্মা চিরশান্তি লাভ করুক। ভারত-এর মহান সন্তান দেশের সীমানা পেরিয়ে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে নিজের স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর গাওয়া ১২,০০০-এরও বেশি কালজয়ী গানের সুবাদে তিনি বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতিতেও চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন।
বাংলাদেশের হাইকমিশনার তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, 'আর আমার কাছে তো বিশেষ করে বলিউড-এর হিন্দি চলচ্চিত্র—আমার অত্যন্ত প্রিয়—'উমরাও জান' এবং 'সওদাগর'-এর গানগুলোর জন্যই তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোঁসলের স্মৃতিচারণা করে রুনা লায়লা বলেছেন, তাঁরা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন—মায়ের মতোই। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা আরও বলেছেন, আশা দিদির সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয়েছিল আমার সুর করা গান ‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’-র রেকর্ডিংয়ের সময়। এরপর ফোনে যোগাযোগ হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন ধরে ভাবছিলাম আবার কথা বলব—আজ করব, কাল করব—এই ভাবনায় আর করা হয়নি। শেষ কথাটাও বলা হলো না'
কথা বলতে না পারার আক্ষেপ সব নিয়ে রুনা লায়লা বলেন, 'যখন মনে হয়েছিল দিদিকে ফোন করি, যদি তখনই করতাম, তাহলে হয়তো আজ এই আফসোসটা থাকত না। নিজের ভেতরে খুব কষ্ট হচ্ছে—এই কষ্ট সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়।