
সৃজিত মুখোপাধ্যায়, রাহুল মুখোপাধ্যায় ও শ্রীজিত রায়
শেষ আপডেট: 25 February 2025 14:41
ফেডারেশনের আওতায় এই সময়ে রয়েছে দুটো পরিচালক গিল্ড। ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন, যা সবচেয়ে পুরনো। সত্যজিৎ রায় থেকে তরুণ মজুমদার ছিলেন ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। আর দ্বিতীয়টি ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া'। সূত্রের খবর, প্রায় পাঁচ বছর আগের পরিচালকদের মধ্যেই এক মতানৈক্যের কারণে নতুন পরিচালক সংগঠন অর্থাৎ ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া'র জন্ম। তবে পুরনো ডিরেক্টর্স গিল্ড অর্থাৎ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন, আজও ফেডারেশনের আওতাধীন।
হঠাৎ কেন উঠল টলিউডের এই দুই ডিরেক্টর্স গিল্ডের প্রসঙ্গ? সূত্রের খবর, ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া'র ছেড়ে পুরনো পরিচালক গিল্ডের সদস্যপদের আবেদন করছেন পরিচালকরা।সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীজিত রায়, রাহুল মুখোপাধ্যায়। ‘দ্য ওয়াল’-এর তরফ থেকে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, রাহুল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে (তাঁদের প্রতিক্রিয়া পেলে, এই প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে)। রাহুলের ফোন বেজে গিয়েছে, কোনও জবাব আসেনি। তবে শ্রীজিত রায়কে সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, ‘না, আমি এমন কোনও খবর পাইনি, আর না আমি তাঁদের (ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন) সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে কোনও যোগাযোগ করেছি।
ফেডারেশন বনাম পরিচালকদের দ্বন্দ চলাকালীন ‘দ্য ওয়াল’-এ মুখ খোলেন পরিচালক অরিন্দম শীল। অরিন্দমের দাবি ছিল, পরিচালকদের সংগঠনের অন্দরে নিয়মকানুন কিচ্ছু নেই। তাঁর কথায়, ‘শুধু একটা কমিটি বানিয়ে রেখে দিয়েছে সেখানে কয়েকজন নিজেদের মতো করে গল্প বলছে এবং বাকি সদস্যদের উপর তা চাপিয়ে রেখে দিয়েছে।’ যোগাযোগ করা হয় অরিন্দমের সঙ্গেও, তিনি বলেন, ‘আমিও ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। আমাদের প্রায় সাড়ে সাতশোর উপর সদস্য, এখন তা আরও বাড়ছে। তবে যে খবর আপনি পেয়েছেন, তা আমার কাছেও এসেছে যে রাহুল সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছে। আরও অনেকেই ইতিমধ্যে সদস্য হয়েছেন বা হচ্ছেন। আমি বেশি বিশদে কিছু জানি না।’
প্রসঙ্গত, মতানৈক্যের কারণেই নতুন পরিচালক সংগঠন অর্থাৎ ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া'র জন্ম হয়। তবে পুরনো ডিরেক্টর্স গিল্ড অর্থাৎ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন, আজও ফেডারেশনের আওতাধীন। সূত্রের খবর ‘মতানৈক্য শুরু হয়, যখন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ডিরেক্টর্স গিল্ডের সদস্য হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন, এবং আমরা বেশিরভাগ তার বিরোধিতা করি’, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি এও বলেন, ‘বিমল দে-কে নিয়ে কথাও ওঠে, সেই সময়, আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে, এবং আমরা ঠিক করি, আলাদাভাবে পরিচালক সংগঠন তৈরি করব।’ শুধু তাই নয়, সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্বরূপ বিশ্বাসের সমর্থনে নতুন ডিরেক্টর্স গিল্ড অর্থাৎ ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া গঠন হয়।