১৯৬২ সাল। তুষারের সাদা চাদরে মোড়া রেজাং লা তখন ছিল ভারতের প্রতিরক্ষার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮,০০০ ফুট উঁচুতে থাকা এই দুর্গম পাহাড় আজও মনে করিয়ে দেয় এমন এক সাহস আর আত্মত্যাগের কাহিনী, যা প্রতিটি ভারতীয়ের মনে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

ফারহান
শেষ আপডেট: 25 June 2025 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৬২ সাল। তুষারের সাদা চাদরে মোড়া রেজাং লা তখন ছিল ভারতের প্রতিরক্ষার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮,০০০ ফুট উঁচুতে থাকা এই দুর্গম পাহাড় আজও মনে করিয়ে দেয় এমন এক সাহস আর আত্মত্যাগের কাহিনী, যা প্রতিটি ভারতীয়ের মনে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
চুশুল সেক্টর রক্ষার দায়িত্ব ছিল ১৩ কুমাওঁ রেজিমেন্টের চার্লি কোম্পানির কাঁধে। আর তাদের নেতৃত্বে ছিলেন মেজর শয়তান সিং ভাটি (পিভিসি)। সে দিন, ১৮ নভেম্বর ১৯৬২> ১২০ জন সাহসী সেনা শূন্যের নিচের তাপমাত্রা আর প্রতিপক্ষের অজস্র সেনাবাহিনীকে অগ্রাহ্য করে আগলে রেখেছিলেন দেশের সীমানা। তাঁরা জানতেন, রেজাং লা হাতছাড়া হলে চুশুল এয়ারফিল্ড আর নিরাপদ থাকবে না। আর তাই তাঁরা প্রতিটি আক্রমণ প্রতিহত করে গেছেন — শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত।
যুদ্ধটি হয়েছিল এমন এক উচ্চতায়, এমন এক প্রতিকূল পরিবেশে, যা আজও ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে। চার্লি কোম্পানির আত্মত্যাগ শুধু দেশের সীমানা আগলে রাখা নয়, এটি এমন এক সাহসের প্রতীক যা আজও সামরিক ইতিহাস আর প্রতিটি দেশপ্রেমীর মনে অমর হয়ে আছে।
এবার এই অমর কাহিনী উঠতে যাচ্ছে সেলুলয়েডে! রজনীশ ঘাইয়ের পরিচালনায় আর রীতেশ সিধওয়ানি, অমিত চন্দ্রা এবং ফারহান আখতারের এক্সেল এন্টারটেইনমেন্টের প্রযোজনায় আসছে ‘১২০ বাহাদুর’।
এই আত্মত্যাগ শুধু সামরিক ইতিহাস নয়, এটি সাহস আর দেশপ্রেমের এমন এক কাহিনি যা আজও প্রতিটি হৃদয়কে কাঁপিয়ে তোলে।
এবার এই ইতিহাস উঠছে সেলুলয়েডের ক্যানভাসে! রজনীশ ঘাইয়ের পরিচালনায় এবং রীতেশ সিধওয়ানি, অমিত চন্দ্রা এবং ফারহান আখতারের প্রযোজনায় ‘১২০ বাহাদুর’ ছবিতে মেজর শয়তান সিং-এর ভূমিকায় থাকছেন স্বয়ং ফারহান আখতার। এক্সেল এন্টারটেইনমেন্টের এই ছবি শুধু যুদ্ধ নয়, এটি এমন এক স্যালুট যা প্রতিটি অমর সেনার আত্মাকে ছোঁবে।