রিচার জন্য বাড়িতেও থাকছে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। মায়ের হাতে তৈরি ফ্রায়েড রাইস, চিলি চিকেন, চিলি পনির আর তাঁর প্রিয় মিষ্টি।

ঘরে ফিরলেন বিশ্বকাপজয়ী রিচা
শেষ আপডেট: 7 November 2025 13:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বজয় করে ঘরে ফিরলেন শিলিগুড়ির রিচা ঘোষ (Richa Ghosh)। দেশের গর্ব হয়ে ওঠা এই তরুণ ক্রিকেটারকে (World Cup Winner) ঘিরে এখন শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে উৎসবের আবহ। শহরবাসীর মনে একটাই উন্মাদনা, “আমাদের রিচা ফিরছে!” শুক্রবার দুপুরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় সংবর্ধনার পর্ব। লাল গালিচায় পা রেখে, জাতীয় পতাকায় মোড়া হুডখোলা গাড়িতে চেপে শহরে ফিরলেন বিশ্বজয়ী রিচা। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মেয়র গৌতম দেব (Goutam Deb)।
পুরসভা আগেই জানিয়েছিল রিচাকে ঘরে ফেরানোর জন্য সাজানো হবে পুরো শহর (Women's World Cup)। সেই মতোই হোর্ডিং, ব্যানারে ছেয়ে গিয়েছে রাস্তা। দিল্লি থেকে বাগডোগরায় নামতেই সেখান থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। মাঝে মাঝে থামতেও হয় তাঁকে। কারণ বিশ্বকাপজয়ী মেয়ের জন্য বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন নিজেদের উদ্যোগে সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল। এরপর তাঁকে সোজা সুভাষপল্লির বাড়িতে পৌঁছে দেবেন মেয়র গৌতম।
সুভাষপল্লি থেকে বাঘাযতীন পার্ক পর্যন্ত প্রায় ২০০ মিটারের রাস্তা জুড়ে লাল গালিচা পাতা হয়েছে। দুই ধারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় মহিলা ক্রিকেটাররা ব্যাট তুলে রিচাকে গার্ড অফ অনারও দেবেন। এরপর বাঘাযতীন পার্কেই রিচাকে প্রথমে সংবর্ধনা দেবে শিলিগুড়ি পুরনিগম, পরে শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ। থাকবে অসংখ্য স্থানীয় ক্লাব ও সংস্থা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তাও পড়া হবে সংবর্ধনা মঞ্চে।
রিচার জন্য বাড়িতেও থাকছে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। মায়ের হাতে তৈরি ফ্রায়েড রাইস, চিলি চিকেন, চিলি পনির আর তাঁর প্রিয় মিষ্টি। দুপুরের সংবর্ধনার পর তিনি যাবেন বাঘাযতীন অ্যাথলেটিক ক্লাবে। সেই মাঠেই তো শুরু হয়েছিল তাঁর ক্রিকেট-যাত্রা।
অন্যদিকে, শনিবার কলকাতাতেও রিচার জন্য থাকছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পৃথক সংবর্ধনা। বস্তুত, বাংলা থেকে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার রিচা ঘোষ। তাঁকে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রিচাকে আগেই সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএবি। শনিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে রিচাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। সেখানে উপস্থিত থাকার কথা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও ঝুলন গোস্বামীর।
বিশ্বকাপে সব চেয়ে বেশি ছক্কা এসেছে রিচার ব্যাট থেকে। মোট ১২টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। তাঁর ধারে কাছেও নেই কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে দ্রুত রান করে দলকে ভাল জাগায় পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে চায় সিএবি।