বিতর্ক যখন চরমে, তখন নজর থাকবে আইসিসির সিদ্ধান্তের দিকে। ভারত কি কেবল জরিমানায় পার পাবে, নাকি পাক শিবিরের ক্ষোভের জেরে আরও কঠোর শাস্তির মুখে পড়বে?

ভারত বনাম পাকিস্তান
শেষ আপডেট: 15 September 2025 18:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুবাইয়ে (Dubai) ভারতের একতরফা জয় প্রত্যাশিত ছিল। আর বাইশ গজের লড়াইয়ে ঠিক সেটাই হল। ৭ উইকেটে পাকিস্তানকে (Pakistan) উড়িয়ে দিল সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) দল।
যদিও ম্যাচ শেষে আলোচনা বইছে অন্য খাতে। ইস্যুর নাম ‘হ্যান্ডশেক-বিতর্ক’ (Handshake Row)। জয় নিশ্চিত হওয়ার পরও করমর্দনের নিয়ম মানেনি টিম ইন্ডিয়া। সলমন আঘারা (Salman Ali Agha) সাজঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে। আর তাঁদের মুখের উপর দরজা টেনে বন্ধ করে দেওয়া হয়। যে কারণে ফুঁসে উঠেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB)।
পিসিবি শুধু অভিযোগ জানিয়েই থেমে থাকেনি, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের (Andy Pycroft) অপসারণও দাবি করেছে। পাক শিবিরের অভিযোগ, টসের সময় পাইক্রফটই নাকি আঘাকে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানোর উপদেশ দেন। এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পৌঁছে গিয়েছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের দফতরেও (ACC)।
প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে কি ভারতের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে আইসিসি (ICC)?
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের আচরণবিধি (ICC Code of Conduct) কিন্তু স্পষ্ট বলছে—প্রতিপক্ষকে সম্মান জানানোই ‘স্পিরিট অফ ক্রিকেটে’র (Spirit of Cricket) মূল কথা। প্রস্তাবনায় লেখা আছে: ‘ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাও, আম্পায়ারদের ধন্যবাদ দাও। জয়-পরাজয় যাই হোক, খেলাটার মর্যাদা রক্ষা করো।’ আইসিসি আচরণবিধির ২.১.১ ধারাতেও বলা আছে, ‘স্পিরিট অফ দ্য গেমে’র পরিপন্থী আচরণ আসলে লেভেল–১ অপরাধের মধ্যে পড়ে।
অর্থাৎ, সূর্যকুমারের নেতৃত্বে ভারতীয় দলের হাত না মেলানোকে সেই নিয়মভঙ্গ হিসেবে ধরার প্রবল সম্ভাবনা। তবে আইন লঙ্ঘনের শাস্তি সাধারণত গুরুতর নয়—সর্বাধিক জরিমানার মুখে পড়তে পারেন অধিনায়ক। বড় শাস্তি বা ম্যাচ–সাসপেনশনের আশঙ্কা কম।
এখনও পর্যন্ত অবশ্য কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। কিন্তু বিতর্ক যখন চরমে, তখন নজর থাকবে আইসিসির সিদ্ধান্তের দিকে। ভারত কি কেবল জরিমানায় পার পাবে, নাকি পাক শিবিরের ক্ষোভের জেরে আরও কঠোর শাস্তির মুখে পড়বে? সময়ই দেবে উত্তর।