ইংল্যান্ড সফরে (England Series) যেতে চেয়েছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে। তারপর সিরিজের মাঝপথে নিতে চান অবসর (Rohit Sharma Retirement)।

রোহিত শর্মা
শেষ আপডেট: 21 May 2025 14:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংল্যান্ড সফরে (England Series) যেতে চেয়েছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে। তারপর সিরিজের মাঝপথে নিতে চান অবসর (Rohit Sharma Retirement)।
টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর এমন নকশাই বুনেছিলেন রোহিত শর্মা। ঠিক মহেন্দ্র সিং ধোনির কায়দায়। মাহি ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে লাল বলের ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ান। মেলবোর্ন টেস্ট ড্র হতেই টেস্টকে বিদায় জানান ধোনি। শেষ টেস্টে নেতৃত্ব দেন কোহলি।
একই ধাঁচে বিদায়গ্রহণের পরিকল্পনা ছকেছিলেন রোহিতও। প্রস্তাব ফেলেন বিসিসিআইয়ের টেবিলে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ড তা পত্রপাঠ খারিজ করে। বদলে জানানো হয়, ইংল্যান্ডে যেতে পারেন রোহিত। কিন্তু অধিনায়ক নয়, সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে। এই পাল্টা প্রস্তাব রোহিতের মনঃপূত হয়নি। যদিও তিনি আর কথা বাড়াননি। আলোচনার দিনকয়েক বাদেই টেস্ট থেকে অবসর নেন। বিদায়ী খেলোয়াড়ের লাল বলের ক্রিকেটকে আলবিদা জানানোর আড়ালের এমন তত্ত্ব সামনে এনেছে ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস।
তাদের আরও দাবি, সিরিজে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই নাকি রোহিতের প্রস্তাব নাকচ করেন নির্বাচকরা। রোহিত অবসর নেওয়ার পর তাঁরা ‘প্ল্যান বি’ হিসেবে দু’জন ক্রিকেটার তথা সম্ভাব্য অধিনায়কের সঙ্গে কথাবার্তা চালান। তাঁদের একজন ঋষভ পন্থ। অন্যজন শুভমান গিল। দৌড়ে জসপ্রীত বুমরাহ, কেএল রাহুলও রয়েছেন। শেষমেশ কার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে, সেটা জানা যাবে ২৩ মে-র আশাপাশে। তখনই ইংল্যান্ড সফরের জন্য দল ঘোষণার কথা। আগামী অধিনায়কও সেই সময় চূড়ান্ত হতে চলেছে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয় বলেই বিশেষজ্ঞদের অনুমান। তাঁদের যুক্তি, শুভমানকে নিয়ে নাকি বিশেষ এক নির্বাচকের ‘আপত্তি’ রয়েছে। যার প্রথম একাদশেই জায়গা পাকা নয়, তাঁকে কীভাবে দলের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বদলে সহ-অধিনায়ক করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে সুনীল গাভাসকারের মতো কেউ কেউ মনে করছেন, যাকেই অধিনায়ক বাছা হোক না কেন, তাঁর পরিণত হতে অন্তত দু’বছর সময় লাগবে। আইপিএলের মতো হাইভোল্টেজ টুর্নামেন্ট শুভমান গিল, ঋষভ পন্থদের ভাবী অধিনায়ক হিসেবে হাত পাকানোর উপযুক্ত মঞ্চ বলেও মনে করেন সুনীল। তাঁর বিশ্লেষণ, ‘শুভমান, শ্রেয়স ঋষভের মধ্যে ধোনি, বিরাট ও রোহিতের নেতৃত্ব দক্ষতার সংমিশ্রণ রয়েছে। গিল একটু বেশি লড়াকু। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আম্পায়ারের কাছে সরাসরি আবেদন করে। ও অনেক বেশি মিশে থাকে। পন্থ উইকেটের পেছনে দাঁড়ালেও একই রকম সক্রিয়। আইয়ারও দুর্দান্ত।‘