Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

IND vs BAN U19 WC: বিহানের স্পেলে কুপোকাত বাংলাদেশ! দুরন্ত ইনিংস খেলে নজর কাড়ল বাঙালি অভিজ্ঞান

বাংলাদেশের সামনে রাখা হয় ২৯ ওভারে ১৬৫ রানের টার্গেট। অর্থাৎ, বাকি ৭০ বলে দরকার ছিল মাত্র ৭৫ রান। সাধারণত এই পরিস্থিতিতে ব্যাটিং দলেরই সুবিধা হয়। 

IND vs BAN U19 WC: বিহানের স্পেলে কুপোকাত বাংলাদেশ! দুরন্ত ইনিংস খেলে নজর কাড়ল বাঙালি অভিজ্ঞান

বাংলাদেশকে হারাল ভারত

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 17 January 2026 23:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছেও আবারও নিজেদের ভুলেই ম্যাচ হারল বাংলাদেশ (IND VS BAN U19 WC)। ভারতের বিরুদ্ধে ৭০ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৭৫ রান, তাও হাতে ছিল ৮ উইকেট। সেখান থেকে ১৮ রানের হার- বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে ব্যথা বাড়ানোর মতোই মুহূর্ত। সেই সঙ্গে ভারত প্রমাণ করল, চাপের মুহূর্তে ম্যাচ ঘোরানোর মানসিক শক্তি এখনও তাদেরই বেশি।

বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে ছিল (India U19 vs Bangladesh U19)। ১৭.২ ওভারে ২ উইকেটে বাংলাদেশের রান ছিল ৯৮। আজিজুল হাকিম এবং রিফাত বেগ দারুণভাবে ম্যাচ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। রিফাত ৩৭ রান করে আউট হলেও হাকিম ৬১ রানের জুটি গড়েন। ঠিক তখনই নামে বৃষ্টি।

বৃষ্টির পরে লক্ষ্য সংশোধন করে ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে (Duckworth-Lewis-Stern Method) বাংলাদেশের সামনে রাখা হয় ২৯ ওভারে ১৬৫ রানের টার্গেট। অর্থাৎ, বাকি ৭০ বলে দরকার ছিল মাত্র ৭৫ রান। সাধারণত এই পরিস্থিতিতে ব্যাটিং দলেরই সুবিধা হয়। তবে বাংলাদেশের ব্যাটাররা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।

খেলা শুরু হতেই ভারতীয় স্পিনাররা (Indian Spinner) চক্রব্যূহ তৈরি করেন। বিহান মলহোত্রা (Bihan bowling spell) ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন। খিলান পাটেল নেন আরও ২টি উইকেট। চাপে পড়ে বাংলাদেশ ২২ রানের মধ্যেই শেষ ৭ উইকেট হারায়।

হাকিমই ছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket) শেষ ভরসা। কিন্তু খিলানের ফুলটসে ৫১ রানে আউট হয়ে গেলে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায়। ফিল্ডিংয়েও ছিল ভারতের দাপট- বৈভব সূর্যবংশীর বাউন্ডারি লাইনে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ নেওয়া সবাইকে তাক লাগায়, যা মনে করিয়ে দেয় ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে সূর্যকুমার যাদবের ক্যাচকে।

প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২৩৮ রানে অল আউট হয় ৪৮.৪ ওভারে। ব্যাট হাতে সবচেয়ে ভরসা জোগান অভিজ্ঞান কুণ্ডু ও বৈভব (Vaibhav Sooryavanshi)। বৈভব ৬৭ বলে ৭২ এবং অভিজ্ঞান ১১২ বলে ৮০ রান করেন (Abhigyan brilliant innings)। শেষ দিকে দীপেশ দেবেন্দ্রন দলের খাতায় আরও কিছু রান যোগ করেন।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক ৫ উইকেট নেন আল ফাহাদ। তবে তাঁর সেই সাফল্য লাভের মুখ দেখাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত কঠিন মুহূর্তে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দেয় ভারত। পরপর দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছে তারা। 


```