
তানজিম হাসান সাকিব এবং মহম্মদ নওয়াজ
শেষ আপডেট: 13 January 2025 16:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো : বাংলাদেশি বোলার তানজিম হাসান সাকিব এবং পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মহম্মদ নওয়াজ কার্যত হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন। রবিবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১৭ নম্বর ম্যাচে খেলতে নেমেছিল সিলেট স্ট্রাইকার্স এবং খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচেই এমন অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী থাকল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনা ১৮৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমেছিল। ইনিংসের ১৭ ওভারে নওয়াজের উইকেট শিকার করেছিলেন সাকিব।
অ্যারাউন্ড দ্য উইকেট বল করতে এসে নওয়াজকে একটি স্লো ডেলিভারি করেছিলেন সাকিব। নওয়াজ বলটি থার্ড ম্যানের দিকে চিপ করতে যায়। কিন্তু, জাকির হাসানের হাতে তিনি সহজ ক্যাচ দিয়ে বসেন। অবশেষে ১৮ বলে ৩৩ রান করে নওয়াজকে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়। ১৬.১ ওভারে খুলনার রান ছিল ৬ উইকেটে ১৩০।
যাইহোক, পাকিস্তানের এই ব্যাটারকে আউট করার পর তানজিম অকথ্য গালিগালাজ করতে শুরু করেন। এরপর দুই ক্রিকেটার একে অপরকে কাঁধ দিয়ে ধাক্কা মারে। আর সঙ্গে সঙ্গে ২২ গজের পারদ ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। দুই আম্পায়ার এবং দলের বাকি ক্রিকেটারদের হস্তক্ষেপে শেষপর্যন্ত ব্যাপারটা মীমাংসা হয়। মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান নওয়াজ।
???? ???????????????????????? ???????????????????? ???????? ???????????? ????????????????????! ????
— FanCode (@FanCode) January 12, 2025
Mohammad Nawaz and Tanzim Hasan Sakib had to be separated following the former’s dismissal! ????#BPLonFanCode pic.twitter.com/Y3l4XDkcfB
এবার ম্যাচের কথায় ফেরা যাক। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিলেট স্ট্রাইকার্সের শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি। শুরুতেই ফিরে যান দলের ওপেনার রাখিম কর্নওয়াল (৫ বলে ৪ রান) এবং জর্জ মুনসে (৭ বলে ২ রান)। ৪.২ ওভারের মধ্যে মাত্র ১৫ রানের মধ্যেই তারা জোড়া উইকেট হারায়। এরপর রনি তালুকদার (৪৪ বলে ৫৬ রান) এবং জাকির হাসানের (৪৬ বলে অপরাজিত ৭৫ রান) মধ্যে ১০৬ রানের একটা বিশাল পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে।
শেষকালে অ্যারন জোনস (৬ বলে ২০ রান) এবং আরিফুল হকের (১৩ বলে অপরাজিত ২১ রান) ঝোড়ো ইনিংসের দৌলতে তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান তোলে। জবাবে খুলনা স্ট্রাইকার্স ৯ উইকেটে ১৭২ রানই তুলতে পারেন। দলের হয়ে সর্বাধিক রান করেন উইলিয়াম বশিষ্ঠ (৪০ বলে ৪৩ রান)। এই ম্যাচে দুটো করে উইকেট শিকার করেছেন তানজিম হাসান, রিস টপলি এবং রুয়েল মিঞাঁ। শেষপর্যন্ত সিলেট আট রানে এই ম্যাচে জয়লাভ করে। আর অপরাজিত ৭৫ রান করার জন্য জাকির হাসানের হাতে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।