বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল বিভাগের প্রধান ড. দীনশ পারদিওয়ালা জানিয়েছেন, মাঠে উপস্থিত মেডিক্যাল স্টাফদের দ্রুত পদক্ষেপই বিপদ এড়াতে সাহায্য করেছে। শ্রেয়সের বাবা-মাও খুব শিগগির সিডনিতে যাচ্ছেন তাঁর পাশে থাকতে।
_0.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স: দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 29 October 2025 14:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চেনা প্রার্থনায় এ বার জুড়ে গেল ক্রিকেটের মানবিক আর্জি। ছটপুজোর (Chhath Puja) সকালে শ্রেয়স আইয়ারের (Shreyas Iyer) দ্রুত আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা করলেন সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) মা। মুহূর্তটি ধরা পড়েছে সূর্যকুমারের বোনের ইনস্টাগ্রাম ভিডিওয়, যা ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দেশজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মন কেড়েছে এই ছোট্ট ক্লিপ।
Suryakumar Yadav's Mother praying for Shreyas Iyer's Recovery during Chhath puja
So Heartwarming to See❣️
Surya's Sister Shared this video on insta pic.twitter.com/n3Ddq59xXW— Sawai96 (@Aspirant_9457) October 29, 2025
ভিডিওতে দেখা যায়, প্রার্থনার সময় সূর্যকুমারের মা বলছেন, ‘আমি শুধু এইটুকুই চাই, সবাই শ্রেয়স আইয়ারের জন্য প্রার্থনা করুক। কাল শুনেছি ওর শরীর খারাপ। খুব বাজে লেগেছে। ঈশ্বর ওকে দ্রুত সুস্থ করে তুলুন!’ অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল। সমাজমাধ্যমে অনেকেই আন্তরিকতা ও খেলোয়াড়দের পরিবারের পারস্পরিক বাঁধনের প্রশংসা করেন।
গুরুতর চোটের পর আপাতত সিডনির (Sydney) এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রেয়স আইয়ার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে অ্যালেক্স ক্যারির (Alex Carey) ক্যাচ নিতে গিয়ে তিনি পড়ে যান। পরে স্ক্যান করে জানা যায়, প্লীহায় (Spleen) চিড় ধরেছে এবং অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে আইসিইউতে (ICU) ভর্তি করা হয় শ্রেয়সকে।
বিসিসিআই (BCCI) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সময়মতো চিকিৎসা শুরু হওয়ায় বিপদ এড়ানো গেছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘শ্রেয়স এখন স্থিতিশীল। মঙ্গলবার ২৮ অক্টোবর করা রিপিট স্ক্যানে উল্লেখযোগ্য উন্নতির ইঙ্গিত মিলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন!’ বোর্ডের মেডিক্যাল টিম সিডনি ও ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।
চোটের পর থেকেই টিম ইন্ডিয়ার টি–২০ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন শ্রেয়সের সঙ্গে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি–২০ সিরিজের আগে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমে ভাবিনি ওর আঘাত এত গুরুতর। পরে খবর পাই ওকে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা দরকার। তারপর কথা হয়। ও যখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলে। তখনই বুঝলাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।’আরও যোগ করেন, ‘ঈশ্বর ওর পাশে। ও ভালো আছে, চিকিৎসকেরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন, বোর্ড পুরোপুরি সহযোগিতা করছে। খুব শিগগিরই শ্রেয়স সুস্থ হয়ে আমাদের সঙ্গে ফিরবে।’
বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল বিভাগের প্রধান ড. দীনশ পারদিওয়ালা (Dr Dinshaw Pardiwala) জানিয়েছেন, মাঠে উপস্থিত মেডিক্যাল স্টাফদের দ্রুত পদক্ষেপই বিপদ এড়াতে সাহায্য করেছে। শ্রেয়সের বাবা-মাও খুব শিগগির সিডনিতে যাচ্ছেন তাঁর পাশে থাকতে।