Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

SMAT: ফের জ্বলে উঠলেন সামি, হরিয়ানার বিরুদ্ধে ৪ উইকেট ছিনিয়ে চ্যালেঞ্জ নির্বাচকদের

সব মিলিয়ে বার্তাটা পরিষ্কার—ফিটনেস বা ছন্দ কোনওটাই সমস্যা নয়। লম্বা রানআপে দৌড়চ্ছেন, কড়া লেংথে বল ফেলছেন, ব্রেকথ্রুও এনে দিচ্ছেন। 

SMAT: ফের জ্বলে উঠলেন সামি, হরিয়ানার বিরুদ্ধে ৪ উইকেট ছিনিয়ে চ্যালেঞ্জ নির্বাচকদের

মহম্মদ সামি

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 9 December 2025 13:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে (SMAT) আবারও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নজর কাড়লেন মহম্মদ সামি। এবার হরিয়ানার বিরুদ্ধে। স্পষ্ট বার্তা দিলেন নির্বাচকদের। বাংলার অভিজ্ঞ পেসার ৪ ওভারে ৩০ রান খরচ করে নিলেন ৪ উইকেট। হরিয়ানা নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলেছিল ১৯১/৯।

টুর্নামেন্টে এটি সামির টানা তৃতীয় ম্যাচ যেখানে তিনি ৩ উইকেট বা তার বেশি নিয়েছেন। এর আগে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে ৪/১৩, পুদুচেরির বিরুদ্ধে ৩/২৪। ধারাবাহিক এই সাফল্য তাঁকে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকায় তিন নম্বর স্থানে তুলে দিয়েছে। যদিও তাতে বাংলা, যারা টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হার এড়াতে ব্যর্থ, তাদের খুব একটা উপকার হয়নি!

এখন পর্যন্ত ৭ ইনিংসে সামির ঝুলিতে ১৬ উইকেট। গড় ১৪.৯৩, ইকনোমি রেট ৮.৯০। সেরা বোলিং ৪/১৩। দেশের হয়ে অনেকদিন দেখা যায়নি। ফিটনেস এবং আরও বহুবিধ অছিলায় দলের বাইরে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিই সামির সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে—এমন ফর্ম নিয়েও কেন জাতীয় টিমে সুযোগ পাচ্ছেন না অভিজ্ঞ পেসার?

শুধু ওয়ানডে নয়, টেস্টেও একইভাবে ব্রাত্য সামি। লাল বলে শেষ ম্যাচ ২০২৩ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (WTC) ফাইনাল—যেখানে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ভারত। এরপর আর কোনও ফরম্যাটেই ডাক মেলেনি। প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকর আগেই জানিয়েছিলেন, ইংল্যান্ড সফরের দল থেকে বাংলার বোলারকে বাদ দেওয়া হয় ফিটনেসজনিত কারণে। তার আগে সামির সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

সামির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স কিন্তু অন্য ছবি মেলে ধরছে। সেপ্টেম্বর মাসে দলীপ ট্রফিতে প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই ঘরোয়া ময়দানে নিয়মিত খেলছেন তিনি। রঞ্জি ট্রফিতে চার ম্যাচে নিয়েছিলেন ২০ উইকেট। স্রেফ দীর্ঘ ফরম্যাট নয়, টি-২০-তেও সমানতালে নিজের ধার দেখিয়ে চলেছেন।

সব মিলিয়ে বার্তাটা পরিষ্কার—ফিটনেস বা ছন্দ কোনওটাই সমস্যা নয়। লম্বা রানআপে দৌড়চ্ছেন, কড়া লেংথে বল ফেলছেন, ব্রেকথ্রুও এনে দিচ্ছেন। এখন দেখার, নির্বাচকরা সামির এই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দিয়ে কত জলদি জাতীয় দলের পথ খুলে দেন।


```