শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি রয়েছে আর্থিক টানাপোড়েন। গত জানুয়ারি মাসে কাম্বলির স্ত্রী অ্যান্ড্রিয়া হিউইট জানান, ২০২৩ সালে তিনি ডিভোর্সের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু স্বামীর বিপর্যয় দেখে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।

বিনোদ কাম্বলি
শেষ আপডেট: 20 August 2025 17:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাল নেই বিনোদ কাম্বলি (Vinod Kambli)। ভারতীয় ক্রিকেটের এক সময়ের তারকা ব্যাটসম্যান নতুন করে শারীরিক সমস্যায়। দীর্ঘদিন নানা অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বুধবার বিনোদের ছোট ভাই বীরেন্দ্র কাম্বলি (Virendra Kambli) সামনে আনলেন সর্বশেষ আপডেট। জানালেন, তাঁর দাদা এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি।
গত বছর ২১ ডিসেম্বর থানের আক্রুতি হাসপাতালে ভর্তি হন কাম্বলি। মূত্রনালির সংক্রমণ আর ক্র্যাম্পের কারণে তাঁকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। এখন মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। তবে হাঁটা-চলার শক্তি ফেরেনি। কথা বলতেও সমস্যা হচ্ছে।
যদিও খারাপ কিছুর আশঙ্কা নয়, এই মুহূর্তে বিনোদের দ্রুত সেরে ওঠার আশা করছেন বীরেন্দ্র। বলেছেন, ‘ও এখন বাড়িতে আছে। ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হচ্ছে। চিকিৎসা চলছে। কথা বলায় সমস্যা রয়েছে। সুস্থ হতে সময় লাগবে। কিন্তু বিনোদ একজন চ্যাম্পিয়ন। নিশ্চয়ই ফিরে আসবে। হাঁটবে, দৌড়বে—এই আশা রাখি। আমি চাই সবাই ওর জন্য প্রার্থনা করুন!’
বীরেন্দ্রর কথায়, ‘ও দশ দিন রিহ্যাবে ছিল। শরীরের সম্পূর্ণ পরীক্ষা করা হয়, ব্রেন স্ক্যান আর ইউরিন টেস্ট-সহ। রিপোর্টে তেমন কিছু ধরা পড়েনি। তবে হাঁটতে না পারায় ফিজিওথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা। এখন কথা জড়িয়ে গেলেও ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। আমি শুধু বলতে চাই, সবাই ওর জন্য প্রার্থনা করুন। এই মুহূর্তে ওর অনেক ভালবাসা আর সমর্থন দরকার!’
শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি রয়েছে আর্থিক টানাপোড়েন। গত জানুয়ারি মাসে কাম্বলির স্ত্রী অ্যান্ড্রিয়া হিউইট জানান, ২০২৩ সালে তিনি ডিভোর্সের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু স্বামীর বিপর্যয় দেখে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। একটি পডকাস্টে অ্যান্ড্রিয়া বলেন, ‘ও একেবারে অসহায় হয়ে পড়বে যদি আমি ওকে ছেড়ে দিই। কাম্বলি একজন শিশুর মতো। এটা ভেবেই আমি চিন্তিত হই। আমি বন্ধুকেও এই পরিস্থিতিতে ছেড়ে যেতাম না… ও তো তার চেয়েও বেশি কিছু। অনেক সময় ভাবতাম চলে যাব। কিন্তু ফের মনে হত: খেয়েছে তো? ঠিকমতো শুয়ে আছে তো? সুস্থ তো? তখনই ফিরে এসে দেখভাল করতাম। বুঝতাম, ওর আমায় প্রয়োজন!’