রশিদ ৯৮ ম্যাচে ১৬৫টি উইকেট নিয়েছেন। তিনি শীর্ষে ওঠার পথে টপকে গিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদিকে। ইংল্যান্ডের বর্তমান বোলিং কোচ সাউদির ১২৬ ম্যাচে উইকেট সংখ্যা ১৬৪।

রশিদ খান
শেষ আপডেট: 2 September 2025 15:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমিত ওভারের বিশ্ব ক্রিকেটের মানচিত্রে ক্রমশ উপরের দিকে স্থান করে নিচ্ছে গান্ধারীর দেশ। টি-২০ ক্রিকেটে আফগানিস্তানকে (Afghanistan) বলা হচ্ছে ভারতের পর এশিয়া মহাদেশে দ্বিতীয় পরাশক্তি। আফগান স্পিনার রশিদ খানের (Rashid Khan) স্পিনাস্ত্রে বাঘা বাঘা তারকা ব্যাটার পরাস্ত হয়েছেন। এবার এই তারকা ক্রিকেটারের তাজে যুক্ত হল সাফল্যের নতুন পালক।
দুবাইয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে গিয়েছল আফগানিস্তান। অবশ্য দ্বিতীয় ম্যাচে তারা জয়ের সরণিতে ফিরেছে সংযুক্ত আরব আমিরাশাহিকে ৩৮ রানে হারিয়ে।এই ম্যাচে আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান ৩টি উইকেট নিয়ে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি (Leading Wicket Taker in T20) হয়ে ওঠেন। তিনি ৯৮ ম্যাচে ১৬৫টি উইকেট নিয়েছেন। রশিদ শীর্ষে ওঠার পথে টপকে গিয়েছেননিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদিকে। ইংল্যান্ডের বর্তমান বোলিং কোচ সাউদির ১২৬ ম্যাচে উইকেট সংখ্যা ১৬৪। এরপর রয়েছেন যথাক্রমে নিউজিল্যান্ডের ঈশ সোধি (১৫০ উইকেট), বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান (১৪৯ উইকেট) ও মুস্তাফিজুর রহমান (১৪২ উইকেট)।
প্রথমে ব্যাট করে ইব্রাহিম জাদরান এবং সেদিকুল্লাহ আতালের দুর্দান্ত অর্ধশতক ইনিংসের সাহায্যে আফগানিস্তান ১৮৮ রান করে। লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাশাহি ৮ উইকেটে মাত্র ১৫০ রান করতে পারে।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে আসা আফগানিস্তানের সিদিকুল্লাহ-ইব্রাহিমের ৮৪ রানের জুটির শুরুটা ভাল হয়নি। আমিরাশাহির ফাস্ট বোলার জুনায়েদ সিদ্দিকী এবং মহম্মদ রোহিদ পাওয়ার প্লেতে দুর্দান্ত বোলিং করেন এবং প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১৬ রান দেন। রহমানউল্লাহ গুরবাজকে আউট করে রোহিদ আফগানিস্তানকে প্রাথমিক ধাক্কা দেন। পাওয়ারপ্লের প্রথম পাঁচ ওভারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি আধিপত্য বিস্তার করলেও ষষ্ঠ ওভারে থেকে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
ষষ্ঠ ওভারে ওঠে ১৮ রান। যার ফলে পাওয়ার প্লেতে আফগানিস্তান ১ উইকেট হারিয়ে ৪৩ রান করে। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৫ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়েন সেদিকুল্লাহ আতাল এবং ইব্রাহিম জাদরান। সেদিকুল্লাহ আতাল ৪০ বলে ৫৪ রান করেন এবং জাদরান ৪০ বলে ৬৩ রান করেন। শেষ চার ওভারে আফগানিস্তান করে ৪৯ রান। যার ফলে স্কোর ১৮৮-এ পৌঁছে যায়। এর মধ্যে ১৯তম ওভারে হয় ২২ রান। এই ওভারে ছিল ২টি ছক্কা এবং ২টি চার।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালই করেছিল আমিরশাহি। অধিনায়ক মহম্মদ ওয়াসিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৩৭ বলে ৬৭ রান করেন। শরাফুদ্দিনের বলে ভুল শট খেলে দশম ওভারে আউট হন তিনি। এর পরপরই রশিদ প্রথম বলেই আসিফ খানকে বোল্ড করেন। এরপর এই আফগান লেগ-স্পিনার ইথান ডি'সুজা এবং ধ্রুব পরাশরকে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখান। এই দুই জন ফিরতেই ভেঙে পড়তে শুরু করে ইউএই।
রশিদ ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। রাহুল চোপড়া শেষ বলে ছক্কা মেরে অপরাজিত অর্ধশতক করেন। তবে, তিনি দলকে জয় এনে দিতে পারেনি।