যখন মনে হচ্ছে সান্ত্বনার গোলে ম্যাচে ফিরে আসতে পারবে না ফরাসি বাহিনী, ঠিক তখনই উলটপুরাণ! ৬৭ মিনিটে লামিন ইয়ামাল গোল করে স্কোরলাইন ৫-১ করলেও ম্যাচের শেষ ১১ মিনিটে পরপর তিন গোল করে লড়াই জমিয়ে তোলেন রায়ান চেরকি, ভিভিয়ান ও কোলো মুয়ানি৷

স্পেন
শেষ আপডেট: 6 June 2025 10:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিউনিখে (Munich) গতকাল জার্মানিকে (Germany) হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে পর্তুগাল (Portugal)। আজ নেশনস লিগের (Nations League) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ফ্রান্সকে (France) পরাস্ত করল স্পেন (Spain)। চলে গেল ফাইনালে। স্কোর: স্পেন ৫-৪ ফ্রান্স।
অথচ চার গোলে এক সময় এগিয়েছিল স্পেন। বিরাট ব্যবধানে জয় যখন নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে, তখনই ম্যাচের অন্তিম লগ্নে কামব্যাক করেন এমবাপে বাহিনী (Kylian Mbappe)! শেষ ১১ মিনিটে তিন গোল। যখন মনে হচ্ছে লড়াই অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে, তখনই জানপ্রাণ দিয়ে ডিফেন্স করে এক গোলের ব্যবধান ধরে রাখে স্প্যানিশ আর্মাডা।
ম্যাচটা উজ্জ্বলভাবেই শুরু করেছিল দিদিয়ের দেশঁর টিম। থিও হার্নান্ডেজ দুটো সুযোগ পান। কিন্তু মিস করেন। আর এরই ফায়দা নেয় স্পেন। ক্রমশ কোণঠাসা অবস্থা থেকে হঠাৎ কাউন্টার অ্যাটাক। আর তাতেই গোল! ২২ মিনিটের মাথায় নিখুঁত ফিনিশিংয়ে টিমকে এগিয়ে দেন নিকো উইলিয়ামস। তিন মিনিট বাদে ব্যবধান বাড়ান মিকেল মেরিনো।
উলটো দিকে ততক্ষণে গুটিয়ে না গিয়ে আক্রমণ শানাচ্ছে ফ্রান্সও৷ উসমান ডেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপে ও ডেসিরে দুয়োর ত্রিফলা জুটি একের পর এক হাফ-চান্স তৈরি করছিলেন। কিন্তু গোলের রাস্তা খোলেনি।
বিরতির পর ছবিটা ফের বদলে যায়। তেতে ওঠে স্পেন। বিশেষত, লামিন ইয়ামাল৷ তাঁকে পেনাল্টি বক্সে অবৈধভাবে ট্যাকল করেন আদ্রিয়েন র্যাবিও। স্পটকিক থেকে গোল করতে কোনও ভুল করেননি বার্সেলোনার ক্ষুরধার উইংগার। আর ঠিক এর এক মিনিট বাদে দলের চার নম্বর গোল করে লড়াইকে একপেশে করে ফেলেন বার্সায় ইয়ামালের সতীর্থ পেদ্রি।
হঠাৎ করে ৬০ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। গোল করেন এমবাপে। যখন মনে হচ্ছে সান্ত্বনার গোলে ম্যাচে ফিরে আসতে পারবে না ফরাসি বাহিনী, ঠিক তখনই উলটপুরাণ! ৬৭ মিনিটে লামিন ইয়ামাল গোল করে স্কোরলাইন ৫-১ করলেও ম্যাচের শেষ ১১ মিনিটে পরপর তিন গোল করে লড়াই জমিয়ে তোলেন রায়ান চেরকি, ভিভিয়ান ও কোলো মুয়ানি৷ কিন্তু রেফারির বাঁশি বাজার আগে পাঁচ নম্বর গোলটি আসেনি, চারেই থেমে যান এমবাপেরা!
৯ জুন ফাইনাল৷ সেদিন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে কতটা জ্বলে ওঠেন ইয়ামাল, সেদিকে তাকিয়ে ফুটবল দুনিয়া।