Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

দলীপ জিতল মধ্যাঞ্চল, কাজে এল না অঙ্কিতের লড়াই, আইপিএলের পর ফের ট্রফি হাতে রজত পাটীদার

আইপিএল ট্রফি জয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই মুকুটে আরও একটি পালক জুড়লেন রজত পাটীদার। বেঙ্গালুরুর মাটিতে দুলীপ ট্রফি  জিতল রজতের নেতৃত্বাধীন মধ্যাঞ্চল।

দলীপ জিতল মধ্যাঞ্চল, কাজে এল না অঙ্কিতের লড়াই, আইপিএলের পর ফের ট্রফি হাতে রজত পাটীদার

দলীপ ট্রফিজয়ী মধ্যাঞ্চল

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 15 September 2025 14:07

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইপিএল ট্রফি জয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই মুকুটে আরও একটি পালক জুড়লেন রজত পাটীদার। বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) মাটিতে দুলীপ ট্রফি (Duleep Trophy 2025) জিতল রজতের (Rajat Patidar) নেতৃত্বাধীন মধ্যাঞ্চল (Central Zone)। সোমবার, শেষ দিনে মাত্র ৬৫ রান দরকার ছিল। চার উইকেট হারালেও লক্ষ্যে পৌঁছতে পাটীদার বাহিনীকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি!

আসলে ফাইনালের মোড় ঘুরে যায় প্রথম ইনিংসে। দক্ষিণাঞ্চল (South Zone) গুটিয়ে যায় মাত্র ১৪৯ রানে। জবাবে মধ্যাঞ্চল খাড়া করে ৫১১ রানের পাহাড়—যা কার্যত লড়াই থেকে ছিটকে দেয় দক্ষিণী শিবিরকে।

চতুর্থ দিনে অবশ্য খানিকটা লড়াই দেখা যায়। অঙ্কিত শর্মা (Ankit Sharma) ও আন্দ্রে সিদ্ধার্থ (Andre Siddarth C) সপ্তম উইকেটে গড়ে তোলেন ১৯২ রানের দুর্দান্ত জুটি। সিদ্ধার্থ অপরাজিত থাকেন ৮৪ রানে। আর অঙ্কিত মাত্র এক রানে সেঞ্চুরি মিস করেন।

কিন্তু সেখান থেকেই খেলা ঘুরিয়ে দেন বাঁ-হাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয়া (Kumar Kartikeya)। দুই ইনিংস মিলিয়ে আটটি উইকেট তুলে নেন তিনি (৪+৪)। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একের পর এক জুটিও দেন ভেঙে। অঙ্কিত–সিদ্ধার্থের ব্যাটে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা থামিয়ে লড়াইয়ের পাল্লা ফিরয়ে আনেন মধ্যাঞ্চলের দিকে। দক্ষিণাঞ্চল শেষমেশ ৪২৬ রানে গুটিয়ে যায়।

টার্গেট মাত্র ৬৬। শুরুতে অবশ্য খানিক স্নায়ুচাপ তৈরি হয়। গুরজপনীত সিং (Gurjapneet Singh) আর অঙ্কিত শর্মা প্রথম ঘণ্টায় ফেলে দেন তিন উইকেট। ফেরান পাটীদারকেও। তবু ম্যাচ তখনই শেষ। এত ছোট লক্ষ্য তাড়া করে জিতে নেওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা। শেষমেশ যশ রাঠোর (Yash Rathod)—যিনি প্রথম ইনিংসেই বড় রান করেছিলেন—একটি বাউন্ডারিতেই ট্রফি জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:

দক্ষিণাঞ্চল: ১৪৯ ও ৪২৬ (অঙ্কিত শর্মা ৯৯, সিদ্ধার্থ ৮৪*, স্মরণ রবিচন্দ্রন ৬৭; কুমার কার্তিকেয়া ৪-১১০, সরংশ জৈন ৩-১৩০)

মধ্যাঞ্চল: ৫১১ ও ৬৬/৪ (অক্ষয় ওয়াডকর ১৯*, যশ রাঠোর ১৩*; গুরজপনীত সিং ২-২১)


```