বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও ধৈর্যের মাধ্যমে মাসে ১ লাখ টাকা প্যাসিভ ইনকাম সম্ভব। জানুন কীভাবে শুরু করবেন।
.jpeg.webp)
এআই দিয়ে তৈরি ছবি
শেষ আপডেট: 25 September 2025 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্তমান অনিশ্চিত অর্থনীতির দিনে আর্থিক নিরাপত্তা সবার কাছেই সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়। এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞরা নতুন এক কৌশলের কথা বলছেন, যার মাধ্যমে মাসে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত প্যাসিভ ইনকাম করা সম্ভব। প্যাসিভ ইনকাম বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের আয়, যেখানে একবার কাজ বা বিনিয়োগ করার পর নিয়মিত অর্থ আসতে থাকে, আর এর জন্য প্রতিদিন খুব বেশি প্রচেষ্টা দিতে হয় না।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর জন্য প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিকল্পিত বিনিয়োগ, ধৈর্য এবং ঝুঁকি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা। কেবল দ্রুত মুনাফার আশায় না ছুটে, দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিনিয়োগ করলেই আর্থিক স্বাধীনতা পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিও তৈরি করা জরুরি, যাতে শেয়ার বাজার, রিয়েল এস্টেট, মিউচুয়াল ফান্ড বা বন্ড, সব ক্ষেত্রেই সমানভাবে অর্থ বিনিয়োগ থাকে।
শেয়ার বাজারে ভালো ডিভিডেন্ড প্রদানকারী কোম্পানিতে বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে বড় রিটার্ন দিতে পারে। রিয়েল এস্টেট বা সম্পত্তি ভাড়া দিয়েও স্থায়ী আয় তৈরি সম্ভব। পাশাপাশি, মিউচুয়াল ফান্ড, সরকারি বা কর্পোরেট বন্ড নিয়মিত স্থিতিশীল রিটার্ন এনে দিতে পারে। যাঁরা ঝুঁকি নিতে আগ্রহী, তাঁরা হাইব্রিড বা লার্জ-ক্যাপ ফান্ডে বিনিয়োগ করে আরও বেশি মুনাফা পেতে পারেন।
শুধু অফলাইন বিনিয়োগ নয়, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও রয়েছে প্রচুর সুযোগ। ই-বুক, অনলাইন কোর্স, স্টক ফটো বা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে একবার পরিশ্রম করলে পরেও তা থেকে নিয়মিত আয় আসতে পারে। তবে বিনিয়োগের আগে সঠিক জ্ঞান অর্জন, গবেষণা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাসে ১ লাখ টাকা প্যাসিভ ইনকাম অর্জনের জন্য প্রায় ১.২ থেকে ২ কোটি টাকার মূলধন দরকার। কেউ যদি ৬% রিটার্ন চান, তবে অ্যানুইটি বা ফিক্সড ডিপোজিটে ২ কোটি বিনিয়োগ করতে হবে। আর ১০% রিটার্ন পেতে চাইলে প্রায় ১.২ কোটি টাকা যথেষ্ট। অর্থাৎ সঠিক পরিকল্পনা, জ্ঞান ও ধৈর্যের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন একেবারেই সম্ভব।