রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর মূল মূল বক্তব্য হলো গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া।

শেষ আপডেট: 26 January 2026 18:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) সরকারকে উৎখাতে আন্দোলনকারীরা যেসব অপরাধ করেছেন তা মাফ করে দিল মোঃ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে।
রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর মূল মূল বক্তব্য হলো গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, আন্দোলনে অংশ নিয়ে কেউ অপরাধমূলক কাজ করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না। ইতিমধ্যে মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে থাকলে অবিলম্বে তাকে নিষ্কৃতি দিতে হবে। প্রশাসন এবং আইন আদালতকে বলা হয়েছে নতুন করে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ নিষিদ্ধ হয়ে গেল।
শুধু খুনের মামলার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে এই ব্যাপারে নিহত ব্যক্তির পরিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। সেই অভিযোগ কমিশন তার নিজস্ব তদন্তকারীদের দিয়ে তদন্ত করবে। তদন্তে পুলিশ প্রশাসনকে যুক্ত করা যাবে না।
এই অধ্যাদেশ জারির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ফের আরেকবার একই অপরাধে দু'রকম বিধান ব্যবস্থা চালু হলো। গণঅভ্যুত্থান দমনে পুলিশ প্রশাসন যেমন দমন পীড়ন চালিয়েছিল তেমনই আন্দোলনকারীরা ও সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলা হত্যার ঘটনায় যুক্ত ছিল। আওয়ামী লিগের দাবি ২০২৪ এর ৫ আগস্ট এর আগে পরে প্রায় ৪০০ পুলিশ কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এই সব হত্যার ক্ষেত্রেই অভিযুক্তদের অবিলম্বে জামিন দিতে বলা হয়েছে। তারা প্রকৃত হত্যাকারী কিনা তা বিচার করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
অভ্যুত্থানকারীদের অব্যাহতি দেওয়া হলেও অন্তর্ভুক্তি সরকারের বিগত আঠারো মাসে আওয়ামী লিগের কয়েক হাজার কর্মী সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের সিকিভাগেরও জামিন মেলেনি।