লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে তারেকের বৈঠকের পরই বিএনপি নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তণের বিষয়টি সামনে এল।
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 18 June 2025 10:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লন্ডনে (London) নির্বাসন পর্ব কাটিয়ে অবশেষে স্বদেশে ফিরছেন বিএনপি-র কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়া (Tarek Zia, Working Chairman of BNP) । ঢাকায় অভিজাত এলাকায় গুলশান-২-এর অ্যাভিনিউ রোডের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিতে এখন সোজগোজ চলছে।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে তারেকের বৈঠকের (Yunus-Tarek meet at London) পরই বিএনপি নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তণের বিষয়টি সামনে এল। ওই বৈঠকের আগেই বিএনপি নেতারা বলতে শুরু করেছিলেন, ‘লন্ডন ডায়লগ’ (London Dialogue) বাংলাদেশের রাজনীতির অভিমুখ বদলে দেবে। বিএনপি নেতাদের সুরেই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম (Shafiqul Alam, the Press Secretary to Chief Advisor, Bangaldesh) দ্য ওয়াল-কে (The Wall) দেওয়া একাম্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মহম্মদ ইউনুস ও তারেক জিয়ার লন্ডন বৈঠকের পর বাংলাদেশের রাজনীতির পরিবেশে গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। রাজনীতি এখন অনেক স্থিতিশীল ও ইতিবাচক।
ঢাকায় তারেকের জন্য যে বাড়িটি প্রস্তুত করা হচ্ছে সেটি তাঁর মা খালেদা জিয়ার। একটি বহুজাতিক কোম্পানিকে বাড়িটি ভাড়া দেওয়া ছিল। মাস ছয় হল তারা সেখান থেকে অফিস সরিয়ে নিয়েছে। তবে দেড় বিঘা জমির উপর অবস্থিত বাড়িটি তারেকের বসবসারে জন্য যথেষ্ট কিনা তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন আছে। বিএনপি নেতা দেশে ফিরলে তাঁর সরকারি ও বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষীদের সর্বক্ষণ বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষায় থাকতে হবে। বাড়ির উঠোনে তাঁদের ক্যাম্প বানাতে হবে। প্রয়োজন হবে বড় পার্কিং লট। তবে বাড়িটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে।
খালেদা জিয়ার মতো তারেকের জন্যও বিএনপি দলীয়ভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসাবে খালেদা জিয়া সর্বক্ষণ সরকারি নিরাপত্তা পান। তারপরও একটি বহুজাতিক নিরাপত্তা সংস্থার রক্ষীদের সুরক্ষা বলয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে থাকে।
একটি দুর্নীতির মামলায় ২০০৭-’০৮ সালে তারেক জিয়া সাজা পাওয়ার পর বেশ কিছুদিন জেলে কাটিয়ে জামিন পেয়ে লন্ডন যান চিকিৎসা করাতে। তারপর আর দেশে ফেরেননি। তাঁর বিরুদ্ধে পঞ্চাশটির বেশি মামলা ছিল। মহম্মদ ইউনুস সরকারের বিগত দশ মাসে সব মামলা থেকেই নিষ্কৃতি পেয়েছেন তিনি। মামলাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অর্থ নয় ছয় এবং শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা। গ্রেনেড মামলায় তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল। সেই মামলা থেকে ঢাকার আদালত তাঁকে রেহাই দিয়েছে। এই মুহূর্তে তিনি মামলামুক্ত।