বিএনপি মহাসচিব তথা স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন নতুন এক বাংলাদেশের জন্য কাজ করছি। স্বপ্ন দেখছি আমাদের নেতা দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের নেতৃত্বে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের মধ্যে একটা জায়গা তৈরি করেছেন এবং মানুষ বিশ্বাস করে তিনি কাজ করবেন।'
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 23 February 2026 14:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে বিএনপি নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পরদিন থেকেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগের (Awami League ) নেতা কর্মীদের একাংশ প্রকাশ্যে কার্যকলাপ শুরু করেছেন। গত দিন দশকের মধ্যে তারা একশোর কাছাকাছি অফিস খুলেছে। গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে সেগুলি তালা বন্ধ ছিল। এখনও পর্যন্ত আওয়ামী লিগ অফিস খুলতে গিয়ে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েনি। তবে কয়টি জায়গায় বিএনপি নেতারা যেমন অফিস খুলতে সহযোগিতা করেছেন তেমনি উল্টো ভূমিকাও নিয়েছেন শাসকদলের কোনও কোনও নেতা। আওয়ামী লিগ অফিস খোলার পর বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে কয়েকটি জায়গায়।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লিগের এই উদ্যোগ নিয়ে এতদিন পর্যন্ত সরকার ও বিএনপি'র শীর্ষ নেতৃত্ব কোনও মন্তব্য করেনি। সোমবার বিএনপির মহাসচিব তথা তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার সেকেন্ড ইন কমান্ড স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় দপ্তরে বসে প্রশ্ন তুলেছেন, 'কী করে আওয়ামী লিগ অফিস খুলতে পারছে? ওই দলের কার্যক্রম সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। সরকারের তরফে আমরা এই বিষয়ে খোঁজখবর করব।'
প্রসঙ্গত দফতর খোলার পর বেশ কিছু জায়গায় পুলিশ আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কয়েকজন জামিনও পেয়ে গিয়েছেন। মন্ত্রী হওয়ার পর বিএনপির এই প্রবীণ নেতা সোমবার ঢাকার নয়া পল্টনে দলীয় দপ্তরে যান। তিনি সেখানে সাংবাদিকদের কাছে পার্টি অফিসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা শুরু করার আগে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন দলের চেয়ারপারসন সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে (Khaleda Zia)।
বিএনপি মহাসচিব তথা স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন নতুন এক বাংলাদেশের জন্য কাজ করছি। স্বপ্ন দেখছি আমাদের নেতা দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের নেতৃত্বে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের মধ্যে একটা জায়গা তৈরি করেছেন এবং মানুষ বিশ্বাস করে তিনি কাজ করবেন।'
মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তাঁর নেতৃত্বে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং এই যে সরকার গঠন করা হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে সেই সরকার সফল হবে বাংলাদেশকে ঈপ্সিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে। তিনি আরও বলেন, সত্যিকার অর্থেই একটা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে যা আমাদের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লক্ষ্য ছিল। আমরা আশা করব বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দলকে সহায়তা করবে। এই সময়ে বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কুমার মজুমদার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। একটা প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের ঢাকা শহর সিটি কর্পোরেশনগুলির নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারীর আসনের কোটায় সেই মহিলাদের দল সংসদে পাঠাবে পার্টির জন্য যাদের অনেক ত্যাগ, তিতিক্ষা আছে।