আওয়ামী লিগ নেতৃত্বের বক্তব্য, সজীব অর্থাৎ জয়ের আমেরিকার নাগরিকত্ব নেওয়ার অর্থ এতদিন তিনি মার্কিন নাগরিক ছিলেন না।

শেষ আপডেট: 13 May 2025 19:32
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (ex Prime Minister Sheikh Hasina) ছেলে তথা বাংলাদেশের জনক শেখ মুজিবুর রহমানের (father of the nation of Bangladesh Sheikh Mujibur Rahman) বড় নাতি (senior most grand son Sajib Wajed Joy) সজীব ওয়াজেদ জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেন। আওয়ামী লিগ সুত্রে বলা হচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণের কারণেই জয়কে মার্কিন নাগরিকত্ব নিতে হয়েছে। মহম্মদ ইউনুস সরকার তাঁর দেশে ফেরার দরজা আটকে দাঁড়িয়েছে যাবতীয় আইনি সুবিধা কেড়ে নিয়ে।
জয় বহু বছর হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা (resident of United States)। তাঁর স্ত্রী আমেরিকার নাগরিক । কিন্তু জয় সে দেশের নাগরিক ছিলেন না। যদিও বাংলাদেশে আওয়ামী বিরোধীদের প্রচার ছিল তিনি আমেরিকারও নাগরিক। দুই দেশের নাগরিকত্ব রাখা নিয়ে তুমুল সমালোচনা করা হত জয়ের। সেই প্রচার তীব্র হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর। গত বছর ৫ অগাস্টের পর ইউনুস সরকার শেখ হাসিনার পাশাপাশি তাঁর পুত্র কন্যাদের পাসপোর্টও বাতিল করে দেয়। হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকেন। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রধান।
আওয়ামী লিগ নেতৃত্বের বক্তব্য, সজীব অর্থাৎ জয়ের আমেরিকার নাগরিকত্ব নেওয়ার অর্থ এতদিন তিনি মার্কিন নাগরিক ছিলেন না।
অথচ এতদিন জয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হয়েছে যে, তিনি নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। জয়, বাংলাদেশের সবুজ বা সাধারণ পাসপোর্ট নিয়েই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করতেন। যুক্তরাষ্ট্রে তিনি থাকতেন রেসিডেন্সি পারমিট বা গ্রিন কার্ড নিয়ে। সজীব ওয়াজেদ জয় এতদিন বাংলাদেশেরই নাগরিক ছিলেন।
কেন তাহলে সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট নিলেন?
বলা হচ্ছে, যেহেতু সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইউনুসসরকসডঘ বাতিল করেছে, তাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট নিতে বাধ্য হয়েছেন। কারণ, গ্রিন কার্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ভ্রমণ করা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ভ্রমণ করা বা তাঁর মা’র সঙ্গে দিল্লিতে দেখা করতে যাওয়ার জন্য তাঁর একটি পাসপোর্ট দরকার ছিল। বর্তমান বাস্তবতায় তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট নিতে হয়েছে।
আওয়ামী লিগের বক্তব্য এই খবরের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো যে, সজীব ওয়াজেদ জয় ৫ আগস্টের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন না।