
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে ক্রেমলিনে আলোচনা শেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, হাসিনা, টিউলিপ এবং সজীব ওয়াজেদ জয়। ফাইল চিত্র।
শেষ আপডেট: 23 December 2024 14:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্রিটেনের মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিককে লন্ডনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সে দেশের নৈতিকতা রক্ষা বিষয়ক দফতরের অফিসারেরা। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎকেন্দ্রের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে দুদক বা দুর্নীতি দমন কমিশন।
ব্রিটিশ নাগরিক ও সে দেশের মন্ত্রী টিউলিপ শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার কন্যা। পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে টিউলিপের মাসি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও। আওয়ামী লিগের বক্তব্য, মিথ্যা নথিপত্র তৈরি করে ইউনুস সরকার দলনেত্রী হাসিনা ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা প্রচারে নেমেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই রূপপুর প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ সাজানো হয়েছে।
মুখ খুলেছেন হাসিনাও। তিনি ব্রিটেনে বসবাসকারী আওয়ামী লিগের নেতা-মন্ত্রীদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল সভায় বলেছেন, মহম্মদ ইউনুস নিজের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির মামলাগুলি চাপ দিয়ে প্রত্যাহার করিয়েছেন। সেই অপরাধ থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই তিনি আমাকে ও আমাদের পরিবারকে নিয়ে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনের লেবার পার্টির মন্ত্রিসভার সদস্য। তিনি টানা তিনবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নির্বাচিত এমপি। নতুন মন্ত্রিসভায় তিনি ইকনোমিক সেক্রেটারি টু দ্য ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার।
ব্রিটিশ মন্ত্রী পরিষদের প্রোপ্রাইটি অ্যান্ড এথিকস বিভাগের অফিসারেরা টিউলিপকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সানডে টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, টিউলিপ অফিসারদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন।
বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগ, টিউলিপ ২০১৩ সালে পারমাণবিক বিদ্যৎ প্রকল্পটির বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে মধ্যস্থতা করেছিলেন। সেই সূত্রে তিনি ও শেখ হাসিনা সহ শেখ পরিবারের কয়েকজন মিলে ৪০০ কোটি পাউন্ড আত্মসাৎ করেছেন। প্রকল্প ব্যয় বেশি দেখিয়ে ওই অর্থ তছরুপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।