
আবদুল্লাহিল আমান আযমীও আহমাদ বিন কাসেম।
শেষ আপডেট: 6 August 2024 19:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজনৈতিক হিংসার কারণে যাঁদের বিনাবিচারে জেলে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছিল, তাঁদের সকলকে মুক্তি দেওয়ার কথা সোমবারই জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাবাবুদ্দিন। মঙ্গলবার মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশের বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া।
এবার বন্দিদশা থেকে মুক্ত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আহমাদ বিন কাসেম (আরমান)। মঙ্গলবার ভোরে তাঁরা নিজের বাড়িতে ফিরেছেন বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর।
প্রাক্তন সেনা কর্তা ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীর জেলমুক্তির খবর নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও।
২০১৬ সালের ৯ অগস্ট আহমদ বিন কাসেমকে (আরমান) মিরপুর ডিওএইচএস থেকে এবং এর কয়েক দিন পর ২৩ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে গুম করা হয় বলে তাঁদের পরিবার আগেই অভিযোগ করেছিল। পরিবারের অভিযোগ, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশে তাঁদের বছরের পর বছর জেলে আটকে রাখা হয়েছিল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন নেতা প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে আবদুল্লাহিল আমান আযমী। আর আহমাদ বিন কাসেম জামায়াতের প্রাক্তন নেতা প্রয়াত মীর কাসেম আলীর ছেলে। একাত্তরের আন্দোলনে মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
অশান্তির আগুন জ্বলছে বাংলাদেশে। হিংসার-সংঘাতের আবহে সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশের এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, শাহাবুদ্দিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এরপরই রাতে সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীর মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার পর তাঁদের জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কারাদণ্ডের নির্দেশের পর গুলশনের বাড়িতে গৃহবন্দি ছিলেন খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাঁকে। মঙ্গলবার বাড়ি ফিরেছেন বাংলাদেশের বিএনপি নেত্রী।