সরকারের ওই সিদ্ধান্তকে ছেলেমানুষি বলে নেটিজেনদের একাংশ সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 3 July 2025 14:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৮ জুলাই রাত ৯'টায় সারা দেশে এক মিনিটের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ (internet shutdown) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh interim government)। তুমুল সমালোচনার মুখে পরদিনই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিল সরকার। সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকি জানিয়েছেন, ১৮ তারিখ ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সরকারের ওই সিদ্ধান্তকে ছেলেমানুষি বলে নেটিজেনদের একাংশ সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছেন। কেউ বলেছেন সরকারি কর্তাদের কাণ্ডজ্ঞান বলতে কিছু নেই। যা মনে হয় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। মগের মুলুক চলছে। এই ধরনের সিদ্ধান্ত মানবাধিকার হরণের চরম দৃষ্টান্ত। কোনও সভ্য দেশে ছুতানাতা কারণে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয় না। কারণ নেট এখন পানীয় জলের মতোই জীবনের আর এক নাম।
কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার? আসলে গত বছর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব আটকাতে তৎকালীন শেখ হাসিনার সরকার ১৮ জুলাই রাত ৯'টা থেকে সারা দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল। তার ফলে বিদেশি সংবাদমাধ্যম খবর প্রচার করতে পারেনি। দেশের সংবাদমাধ্যমও বিপাকে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং। থমকে যায় ব্যবসা বাণিজ্য।
হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই ঘটনা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তৎকালীন আইসিটি বা ইনফরমেশন কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ক মন্ত্রী জুনাইয়েদ আহমেদ পলককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে জেলে আটক।
এবার জুলাই অগস্ট বিপ্লব বড় করে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সেই কর্মসূচিতে ১৮ জুলাই রাত ৯'টায় এক মিনিটের ইন্টারনেট প্রতীকি বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। সমালোচনার মুখে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করল সরকার।