সইল না বউভাগ্য! চার দিন যেতে না যেতেই ওই যুবতী নিজের বাবার বাড়ি ফেরত চলে আসেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 28 May 2025 19:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মনের আনন্দে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে লোক খাইয়ে বিয়ে হয়েছিল যুবকের। বাড়িতে নতুন বউ, স্বপ্নের পাখি ডানা মেলে উড়ছে আকাশে। কিন্তু এক সপ্তাহও টিকল না সেই সুখের দিন। চার দিনের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে বসলেন স্ত্রী, স্বামী সঙ্গে থাকবেন না। কিন্তু হলটা কী? ঠিক করে সংসারই শুরু হল না!
অগত্যা পঞ্চায়েত বসল। পুলিশেও খবর দেওয়া হল। নতুন বউয়ের অভিযোগ শুনে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। স্বামী নাকি বড্ড সহজ সরল, তাই তার সঙ্গে থাকা কিছুতেই সম্ভব নয়- এই মর্মে অভিযোগ এনেছেন স্ত্রী। নিজের জেদে সেই মেয়ে অনড় দেখে পঞ্চায়েত বিধান দিল- মেয়ে যখন থাকতেই চায় না, তাহলে ক্ষতিপূরণ বাবদ বরপক্ষকে সাড়ে ছ’লক্ষ টাকা দিতে হবে কনেপক্ষকে। হয়ে গেল ডিভোর্স, সাক্ষী রইল স্ট্যাম্প পেপার।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে। গত ৩০ এপ্রিল সম্ভল গ্রামের এক যুবতীর সঙ্গে বসন্তপুর রামরাই অঞ্চলে এই যুবকের বিয়ে হয়। চার দিন যেতে না যেতেই ওই যুবতী নিজের বাবার বাড়ি ফেরত চলে আসেন। আর যেতে রাজি হচ্ছিলেন না কিছুতেই। শুধু তাই না, তাহাতেও অভিযোগ জানিয়ে বসেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আমি বরের ওপর নজর রাখছিলাম। ও বড্ড সাধাসিধে, আমি ওর সঙ্গে থাকতে পারব না। তাই আমি আর ফিরব না। ছেলের বাড়ির লোক আমাদের কাছে কিছু সত্য গোপন করে গেছেন। আমাদের অন্ধকারে রেখে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
বিয়েটা বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করেছিল পুলিশ। কিন্তু ভবি ভোলবার নয়। এদিকে কেউই মামলা পর্যন্ত গড়াতে দিতে চান না বিষয়টা। অবশেষে পঞ্চায়েতের সামনে দু’পক্ষের সম্মতিতে আলাদা হয়ে যান স্বামী-স্ত্রী। বউভাগ্য তো সইল না, উল্টে সাড়ে ছ’লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হল বরপক্ষকে।