
ভাবিক ও পায়েল
শেষ আপডেট: 16 December 2024 14:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ে হয়েছে মোটে চারদিন। সংসার শুরুর আগেই অপহৃত হয়ে খুন হয়ে গেলেন স্বামী। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তিন যুবককে আটক করে। আর এখানেই বিস্ফোরক তথ্য সামনে এল।
ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, তারা সুপারি পেয়েই অপহরণ আর খুন করেছিল। আসল মাথা অন্য কেউ। যেই না তদন্ত এগোল, জানা গেল সব কিছুর নেপথ্যে রয়েছেন সদ্য বিবাহিত স্ত্রী।
গুজরাতের আহমেদাবাদের বাসিন্দা ভাবিকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল গান্ধীনগরের পায়েলের। বিয়ের চারদিন পর পায়েলকে শ্বশুরবাড়ি থেকে আনতে যান ভাবিক। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর জামাই আসছে না দেখে খুঁজতে বের হন পায়েলের বাবা। বাড়ি থেকে বেরোতেই দেখেন রাস্তায় জামাইয়ের স্কুটার পড়ে রয়েছে। বুঝতে পারেন নিশ্চয়ই কিছু একটা হয়েছে।
তড়িঘড়ি পুলিশে অভিযোগ জানাতে যায় দুই পরিবারের লোকজন। পুলিশকে সব কথা খুলে বলেন সকলে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, চারদিন আগেই পায়েল-ভাবিকের বিয়ের কথা।
সন্দেহ হয় পুলিশের। তদন্তে নেমে পায়েলকে জেরা করতেই আসল ঘটনা সামনে আসে। জেরার চাপে তিনি স্বীকার করে যে সে অন্য কাউকে ভালবাসেন। যিনি আবার তাঁরই খুড়তুতো ভাই কল্পেশ। পরিবার মানবে না বলেই বাধ্য হয়ে পায়েল অন্য জায়গায় বিয়ে করেন।
বিয়ের অনুষ্ঠান মিটতেই প্রেমিক কল্পেশের সঙ্গে মিলে পায়েল তাঁর স্বামীকে খুন করার পরিকল্পনা করেন। খুনের সুপারি দেন তিন যুবককে।
জেরায় উঠে পায়েল জানান, তিনি স্বামীকে ফোন করে ওই দিন কোথায় আছেন জানতে চান। সেই লোকেশন প্রেমিককে বলে দেন। তারপর ওই লোকেশন থেকেই ভাবিককে অপহরণ করে ভাড়া করা তিন যুবক।
এর পর কল্পেশ ওই তিন যুবকের সাহায্য নিয়ে গলা টিপে খুন করেন ভাবিককে। তারপর তাঁর দেহ একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনায় ওই পায়েল-সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।