শুক্রবার বিহারের গয়ায় এসে মোদী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, যারা জেলে যাবে, তারা পদে থাকতে পারবে না। পিএম-সিএম বিল নিয়ে বিহার বিধানসভা ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে পাশে বসিয়ে একথা জানিয়ে দেন মোদী।

নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 22 August 2025 13:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে এসেই বিরোধী দলগুলিকে তাক করে বাণ মারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। শুক্রবার বিহারের গয়ায় (Gaya) এসে মোদী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, যারা জেলে (Jail) যাবে, তারা পদে থাকতে পারবে না। পিএম-সিএম বিল নিয়ে বিহার বিধানসভা ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar) পাশে বসিয়ে একথা জানিয়ে দেন মোদী।
সংবিধানের ১৩০-তম সংশোধনী বিল নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী এক তিরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, আম আদমি পার্টির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও লালুপ্রসাদ যাদব এবং তাঁর পুত্রকে তেজস্বী যাদবকে বেঁধেন। যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতেই হয়, তাহলে তার পিছনে যুক্তিসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়াও জরুরি। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কারও ছাড় পাওয়ার কথা নয়।
তিনি বলেন, আজ এই আইনে যদি একজন সরকারি কর্মী দুর্নীতির অভিযোগে কয়েক ঘণ্টার জন্যও গ্রেফতার হন, তাহলে তাঁকে আপনিআপনিই সাসপেন্ড হতে হবে। প্রসঙ্গত, পিএম-সিএম বিল লোকসভায় পেশ করার পরে তা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য চলে গিয়েছে। বিরোধী দলের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এই বিলের প্রতিবাদ করে কমিটিতে যাবে না।
মোদী সাফ জানিয়ে দেন, যেমন সরকারি অফিসার, বাবুলোগ বা যে কোনও কর্মী দুর্নীতি করলে তাঁর কর্মজীবন একেবারে মুছে যাবে। তেমনই কোনও মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী কি জেলে বসেও ক্ষমতার স্বাদ নিয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন, প্রশ্ন মোদীর। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম না করে মোদী আরও বলেন, আমরা দেখেছি যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী জেলের গারদের ভিতর বসে সরকারি ফাইলে সই করছেন। এটা যদি কোনও নেতার মনোভঙ্গি হয়, তাহলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কীভাবে চলবে?
রাহুল গান্ধীর নাম না করেই তাঁর বাক্যবাণ ছিল, সংবিধানের সম্মান ও মর্যাদাহানি ও তাকে টুকরো টুকরো করে ফেলা দেখতে পারি না। তাই এই আইনে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই আইন কার্যকর করা হলে গেলে, দুর্নীতির অভিযোগে ধৃতদের ৩০ দিনের মধ্যে জামিন নিতেই হবে। তা না হলে ৩১ দিনের মাথায় তাঁর গদিও চলে যাবে। কিন্তু, মোদী বলেন, আরজেডি, কংগ্রেস ও বামেরা এই আইনের বিরোধিতা করছে।