মঙ্গলবার সনিয়ার বহু বিতর্কিত নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকায় নাম ওঠা নিয়ে একটি চ্যালেঞ্জ মামলায় কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া ও পুলিশের জবাব জানতে চাওয়া হয়েছে।

এদিনই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সনিয়ার ৭৯-তম জন্মদিন।
শেষ আপডেট: 9 December 2025 13:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জন্মদিনেই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী ও দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠাল। মঙ্গলবার সনিয়ার বহু বিতর্কিত নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকায় নাম ওঠা নিয়ে একটি চ্যালেঞ্জ মামলায় কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া ও পুলিশের জবাব জানতে চাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এদিনই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সনিয়ার ৭৯-তম জন্মদিন (Sonia Gandhi Birthday)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ দেশের বিশিষ্ট নেতা ও ব্যক্তিরা তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে অভিনন্দন পাঠিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সংসদের চলতি শীত অধিবেশনেই বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই সনিয়ার বহু প্রাচীন নাগরিকত্ব বিতর্ক ও ভোটার তালিকায় নাম ওঠা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। একটি ফৌজদারি রিভিশন আবেদনে সনিয়ার বিরুদ্ধে ফৌজদারি ধারায় মামলা করার আর্জি উঠেছে। সনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন ১৯৮৩ সালে। অথচ, ১৯৮০ সালে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে কী করে? এই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা দায়েরের দাবি তোলা হয়েছে আবেদনে।
বিশেষ বিচারক বিশাল গগনে এদিন সনিয়া ও দিল্লি পুলিশের কাছে বিকাশ ত্রিপাঠীর করা আবদনের প্রেক্ষিতে তাঁর জবাব চেয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, সনিয়া গান্ধী ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসে। অথচ নয়াদিল্লি সংসদীয় কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম উঠেছিল ১৯৮০ সালে। এ ব্যাপারে সনিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চাওয়ার নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের এক আদালত। তাকেই চ্যালেঞ্জ করে আবেদনটি করা হয়েছে।
আবেদনে আরও অভিযোগ, নাগরিকত্বপ্রাপ্তির আগেই ভোটার তালিকায় নাম তোলার সময় নিশ্চয় করে কিছু তথ্য-কাগজপত্র জালিয়াতি ও প্রতারণা করা হয়েছে। আবেদনকারী বলেছেন, সনিয়ার নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে ১৯৮০ সালে। ১৯৮২ সালে তা বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু পরের বছর (১৯৮৩) আবার তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ওঠে। এখন দায়রা আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আবেদন খারিজ করাটা যুক্তিযুক্ত ছিল কিনা তা বিচার্য হবে। আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে অথবা বিচারাধীন আদালতের নির্দেশ বহাল রাখতে পারে। সনিয়ার আইনজীবী বলেছেন, তিনি নির্দোষ এবং এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।