আহত দুজনকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আপাতত স্বস্তির খবর এটাই যে, এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি।

শেষ আপডেট: 8 February 2026 16:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বেসরকারি বিমান দুর্ঘটনা (Aircraft Crash) উঠে এল খবরের শিরোনামে। রবিবার কর্নাটকের বিজয়পুরা জেলায় রেডবার্ড (Redbird) সংস্থার একটি বেসরকারি ছোট বিমান ভেঙে পড়ার (Vijayapura aircraft crash) ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় বিমানে দু’জন ছিলেন, ক্যাপ্টেন এবং প্রশিক্ষণরত পাইলট। দু’জনেই গুরুতর জখম হয়েছেন বলে খবর।
ঘটনাটি ঘটেছে বাবালেশ্বর তালুকের মেঙ্গালুরু গ্রামে। ভেঙে পড়া বিমানটি সেসনা ১৭২ ট্যাঙ্গো চার্লি (Cessna 172 Tango Charlie) মডেলের বলে চিহ্নিত হয়েছে।
সূত্রের খবর, বিমানটি কালাবুরাগি থেকে বেলাগাভির উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাঝপথে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন ক্যাপ্টেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি একটি চাষের জমিতে ভেঙে পড়ে (Cessna 172 emergency landing)।
এই এলাকা বাবালেশ্বর থানার অধীনেই পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই বাবালেশ্বর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
আহত দুই ব্যক্তিকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আপাতত স্বস্তির খবর এটাই যে, এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি।
দুর্ঘটনার সঠিক কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
বারবার একই ধরনের বিমান দুর্ঘটনা কেন? গাফিলতি কোথায়, আর হলেও তার দায় কার, এমনই নানা রকম প্রশ্ন উঠছে ওয়াকিবহাল মহলে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরেরই ২৮ জানুয়ারি সকাল ৮টার কিছু পরে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তিনি একটি লেয়ারজেট ৪৫ (Learjet 45) বিমানে ছিলেন, যা দিল্লিভিত্তিক সংস্থা ভিএসআর ভেঞ্চারস (VSR Ventures) পরিচালনা করে। স্থানীয় নির্বাচন উপলক্ষে বারামতিতে চারটি জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর।
সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ নাগাদ বারামতি বিমানবন্দরে দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টা করার সময় বিমানটি ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ার ছাড়াও তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, সহকারী এবং দুই ককপিট ক্রু—পাইলট সুমিত কাপুর (Sumit Kapur) ও ফার্স্ট অফিসার শম্ভাবী পাঠক (Shambhavi Pathak) প্রাণ হারান।