
বন্দেভারত স্লিপারের চার রুট চূড়ান্ত
শেষ আপডেট: 12 May 2024 15:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারা দেশে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন বিপুল সাফল্য পেয়েছে৷ দুরন্ত গতি এবং আধুনিক সুবিধার জন্য যাত্রীদের মধ্যে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ট্রেন৷ শুধু বসে নয়, বন্দেভারতে সফর হবে এবার শুয়ে শুয়েও! আর সেই যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবেই বন্দে ভারত স্লিপার আনছে রেলমন্ত্রক। কোন কোন রুটে এই ট্রেন চলবে তা নিয়ে একাধিক জল্পনা ছিল। সম্প্রতি যদিও বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের প্রাথমিক চারটি রুট রেলমন্ত্রক তৈরি করেছে বলে খবর। সেই তালিকায় রয়েছে কলকাতাও।
বন্দে ভারত স্লিপারের ট্রায়াল রান কবে শুরু হবে, এখনও পর্যন্ত এই প্রশ্নের কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি। কিন্তু যাবতীয় সংশয় এবং ধোঁয়াশার মধ্যেই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের প্রাথমিক চারটি রুট চিহ্নিত করেছে রেলমন্ত্রক। যা হল দিল্লি-কলকাতা, দিল্লি-মুম্বই, ভোপাল-অযোধ্যা এবং ভোপাল-জয়পুর। রেল মন্ত্রক সূত্রের খবর, শীঘ্রই এব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারে মন্ত্রক।
বিশেষ করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের প্রাথমিক রুট হিসেবে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং অযোধ্যাকে তালিকাভুক্ত করার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সম্ভাব্য রুট হিসেবে যদিও দিল্লি-কলকাতা এবং দিল্লি-মুম্বইয়ের নাম নিয়ে ইতিপূর্বেই চর্চা শুরু হয়েছে।
বিগত কয়েকমাস ধরে হাওড়া-দিল্লি রুটে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করছে রেল। দূরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়িয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার করতে চায় মন্ত্রক। ইতিমধ্যে তা নিয়ে মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। এরপর থেকেই চলছে কাজ।
বর্তমানে দেশের প্রথম সেমি-হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের কোনও স্লিপার কোচ নেই। পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কার। আগামী মাসের শেষে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন তার যাত্রী পরিষেবা শুরু করতে পারে বলে ইতিমধ্যেই রেল সূত্রের দাবি। আর সেই দাবিকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
প্রসঙ্গত, চেয়ার কার যুক্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেস সাধারণত ছ’সাত ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যেই চলাচল করে। কিন্তু এক হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব রয়েছে, এমন গন্তব্যেই স্লিপার কোচ বিশিষ্ট বন্দে ভারত ট্রেন চালানো হবে। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের তৈরির কাজ চলছে। যদিও এখনও 'প্রোটোটাইপ' কোচ তৈরি সম্পূর্ণ হয়নি বলেই সূত্রের খবর
বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের রুট, ভাড়া এবং সময় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। ট্রেনটির আসন ও বার্থে সামান্য পরিবর্তন করে যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক করা হয়েছে। বন্দে ভারত ট্রেনে যেমন চমক ছিল, তেমনই এই স্লিপার ট্রেনেও অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখছে রেল।