
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 January 2025 19:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যে ধর্মই হোক, তার জন্য লাউডস্পিকার কখনও অত্যাবশ্যক হতে পারে না। বম্বে হাইকোর্ট একটি মামলায় এমনই মন্তব্য করেছে।
আসলে মহারাষ্ট্র সরকারকে শব্দদূষণ কমাতে একাধিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেখানে এই লাউডস্পিকার ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কোনও ধর্মের অধিকারকে খর্ব করে না।
অনেক ক্ষেত্রেই গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার নেপথ্যে থাকে এই শব্দদূষণ। যে কারণে তা নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে মনে করা হয়েছে। বলা হয়েছে লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধ করলে কোনও ধর্মীয় জায়গা থেকেই অভিযোগ আসা উচিত নয়। জনগনের স্বার্থে ধর্ম পালনের অধিকার সুরক্ষিত রেখে এই নির্দেশ জারি করা হয়। এমনটাই পর্যবেক্ষণ বম্বে আদালতের।
বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি অজয় গডকড়ী এবং বিচারপতি শ্যাম চন্দহোকের বেঞ্চ জানিয়েছে, লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে সংবিধানের ১৯ এবং ২৫ নম্বর ধারায় নাগরিকদের মত প্রকাশ এবং ধর্মপালনের স্বাধীনতার যে কথা বলা হয়েছে তা লঙ্ঘন করা হয় না।
মহারাষ্ট্র সরকারকে আদালত বলেছে, সংশ্লিষ্ট সমস্ত ধর্মীয় স্থানের কর্তৃপক্ষকে লাউডস্পিকারের শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিতেই হবে।
মহারাষ্ট্রের মসজিদ ও মাদ্রাসায় লাউডস্পিকার ব্যবহার করে আজান হয় বলে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কখনও ভোর ৫টা আবার কখনও মাঝরাতে লাউডস্পিকার বাজে। অভিযোগ কোনও ক্ষেত্রেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। উল্টে তারা মামলা তুলে নিতে অনুরোধ করে বলেও অভিযোগ। সেই মামলাতেই বম্বে হাইকোর্ট লাউডস্পিকার নিয়ে এমন পর্যবেক্ষণ করেছেন।