পেট্রল পাম্প তথা সিএনজি স্টেশনে ওই কর্মীর বুকে পিস্তলের নল ঠেকিয়ে তাঁকে খুনের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে ওই মহিলাকে।

সিএনজি স্টেশনের কর্মীর বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি যুবতীর।
শেষ আপডেট: 16 June 2025 16:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের এক যুবতীর পিস্তল হাতে পেট্রল পাম্প কর্মীকে হুমকি দেওয়া ভিডিও ভাইরাল। পেট্রল পাম্প তথা সিএনজি স্টেশনে ওই কর্মীর বুকে পিস্তলের নল ঠেকিয়ে তাঁকে খুনের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে ওই মহিলাকে। যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে নেটপাড়ার বাসিন্দাদের। পেট্রল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ ওই লাইসেন্সড রিভলভারটি হেফাজতে নিয়েছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরপ্রদেশের হারদই এলাকায়। একটি পরিবার গাড়ি নিয়ে গ্যাস ভরাতে ঢুকেছিল ওই সিএনজি স্টেশনে। গ্যাস স্টেশনের সেলসম্যান রজনীশ কুমার সুরক্ষাবিধি অনুসারে পরিবারকে গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াতে অনুরোধ করেন। কেননা, গ্যাস ভরার সময় কোনও বিপত্তি ঘটলে প্রাণহানি বা গুরুতর জখম হওয়ার মতো ঘটনা এড়ানোর জন্যই এই বিধি প্রচলিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রজনীশের ওই অনুরোধ মানতে রাজি হয়নি গাড়িতে বসে থাকা পরিবার। গাড়িতে তখন ছিলেন এহসান খান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এহসান গাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে চড়াও হন ওই কর্মীর উপরে। এহসান পাম্পের ভিতরে কুমারের উপর হম্বিতম্বি শুরু করেন। তখন রজনীশ ডানহাতের কনুই দিয়ে এহসানকে ঠেলা মারেন।
এই দৃশ্য দেখে খানসাহেবের মেয়ে আরিবা আরও খেপে ওঠেন। তিনি একছুট্টে গাড়ির দিকে ধেয়ে যান। এই সময় গ্যাস স্টেশনে উপস্থিত লোকজন গন্ডগোল থামানোর চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু, ততক্ষণে আরিবা গাড়ির ভিতর থেকে একটি রিভলভার নিয়ে তেড়ে আসেন রজনীশের দিকে। তাঁর বুকে পিস্তলের নল ঠেকিয়ে চিৎকার করে বলেন, ইতনি গোলিয়াঁ মারুঙ্গি কি ঘরওয়ালে পেহচান নহি পায়েগা।
The lady with the gun is Ariba Khan. She threatened a salesman with a revolver because he asked her to step out of the car during CNG refueling (As per rule).
Yet the ecosystem keeps propagating that Muslims are living under threat in India. What more freedom do they want? pic.twitter.com/ioL01pIZc8— Mr Sinha (@MrSinha_) June 16, 2025
কিন্তু তাতেও যুবক ওই কর্মী এতটুকু দমে না গিয়ে তর্ক চালিয়ে যান। পাশে থাকা আরিবার মা মেয়েকে টেনে সরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর তিনজন মিলে গাড়িতে উঠে চলে যান। এই ঘটনার পর রজনীশ পরিবারের তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে তিনজনকেই আটক করেছে। এহসান খানের নামে নথিভুক্ত রিভলভারটিও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।