Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

ছোটের বউ মুন্নিকে খুঁজছিল পুলিশ, গ্রেফতার করে চারদিন ধরে জেলে রেখে দিল জানকির বউ মুন্নিকে

উত্তরপ্রদেশের বরেলিতে একই নামের বিভ্রান্তিতে নিরপরাধ মুন্নি দেবীকে জেলে পাঠাল পুলিশ। আসল অভিযুক্ত এখনও অধরা, কিন্তু জানকির স্ত্রী, অন্য এক মুন্নি কাটিয়ে এসেছেন চারদিনের জেলজীবন।

ছোটের বউ মুন্নিকে খুঁজছিল পুলিশ, গ্রেফতার করে চারদিন ধরে জেলে রেখে দিল জানকির বউ মুন্নিকে

নিরপরাধ মুন্নি দেবী।

শেষ আপডেট: 18 April 2025 12:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিদ্যুৎ চুরির মামলায় অভিযুক্ত এক মহিলাকে গ্রেফতার করার জন্য খুঁজছিল পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের বরেলির বান্দিয়া গ্রামের মুন্নিকে ধরার জন্য অভিযান চালাতে গিয়েছিল তারা। গিয়ে গ্রেফতারও করে নিয়ে এল, ভরে দিল জেলেও। কিন্তু ছোট্ট একটা ভুলেই হল সর্বনাশ। অভিযুক্ত যে মুন্নি, সে ছোটের বৌ। আর গ্রেফতার করা হল যে মুন্নিকে, তাঁর নামটা একই হলেও, মানুষটা আলাদা। তাঁর স্বামী জানকি প্রসাদ।

১৩ এপ্রিল, ২০২৫-এ ঘটনাটি ঘটে। ২০২০ সালে একটি স্থানীয় আদালত বিদ্যুৎ চুরির মামলায় ছোটের স্ত্রী মুন্নির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করেছিল। সেই ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে পুলিশ গ্রামে আসে, কিন্তু নাম মেলানো ছাড়া কোনওরকম যাচাই না করেই ধরে নেয় যে, ধৃত মহিলাই সেই মুন্নি।

নিরপরাধ মুন্নি দেবী এরপর চার দিন ধরে জেল হেফাজতে কাটান। এমন একটি অপরাধের জন্য এই সাজা পান, যার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগই ছিল না। পুলিশের এই মারাত্মক ভুলের ফলে এক সাধারণ গৃহবধূকে প্রশাসনিক হেনস্থার শিকার হতে হয়।

চার দিন পর পুলিশ তাদের ভুল বুঝতে পেরে মুন্নি দেবীকে মুক্তি দেয়। অভিযোগ, এত বড় ভুলের জন্য তাঁর কাছে কোনও ক্ষমা চাওয়া হয়নি পুলিশের তরফে। উল্টে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের 'চুপচাপ থাকতে ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলতে' নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

মুন্নি দেবী নিজে জানান, তাঁদের গ্রামে মুন্নি নামে দু'জন মহিলা রয়েছেন। একজন হলেন তিনি নিজে, অন্যজন হলেন অভিযুক্ত ছোটের স্ত্রী। সেই জন্যই গুলিয়ে ফেলে পুলিশ।

এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে পুলিশ শুধুমাত্র নামের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করতে পারে! স্বামীর নাম, বয়স, ঠিকানা কিংবা অন্য কোনও তথ্য যাচাই না করে এমন পদক্ষেপ কেন? মুন্নি দেবীর সম্মানহানি ও মানসিক ক্ষতির দায় কে নেবে?

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত ক্ষমা বা ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়নি। অভিযোগ, এই ঘটনা কেবল একটি প্রশাসনিক ভুল নয়, এটি একটি নাগরিকের ন্যায্য অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। একই নাম থাকার কারণে একজন নিরপরাধ মহিলা যখন জেল খাটেন, তখন প্রশ্ন ওঠে দেশের তদন্ত ব্যবস্থা, মানবাধিকার ও আইনি সচেতনতার দিক নিয়ে। এখন দেখার বিষয় হল, এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন কোনও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নেয় কিনা।


```