এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই SDM নগেন্দ্র পাণ্ডে ও বরখেরা নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান শ্যাম বিহারী ভোজপাল তাঁর উপর চাপ দিয়ে হয়রানি শুরু করেন বলে দাবি করেন ইসরার।
ভিডিওতে ইসরার আরও বলেন, ১৯ মে তাঁর নামে একটি মিথ্যা তোলাবাজির মামলা দায়ের করা হয়, যার নেপথ্যে ছিলেন এক ঠিকাদার। এই মামলাটি প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশে করা হয়েছে বলেও তাঁর দাবি। শুধু তাই নয়, SDM-এর বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগও তোলেন তিনি।
এই মানসিক চাপ ও ক্রমাগত হুমকির জেরেই তাঁরা বিষ খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন বলে ভিডিওতে বলেন ইসরার।
ইসরারের ভাই জানান, 'দাদার প্রতিবেদন বেরোনোর পর থেকেই তাঁকে লক্ষ্য করে হয়রানি শুরু করেছিল প্রশাসন। ও আর বৌদি বিষ খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই কারণে। ওদের সাফ জানানো হয়েছিল, এই প্রতিবেদন তুলে না নিলে সমস্যা হবে।'
জেলাশাসকের দHlর জানিয়েছে, 'এক দম্পতি বিষাক্ত পদার্থ সেবন করেছে এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা মেডিকেল কলেজে দু’জনের চিকিৎসা চলছে।'
এই ঘটনার জেরে SDM ও নগর পঞ্চায়েত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি করছে। সাংবাদিকের পরিবারও পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করেছে।