
শেষ আপডেট: 16 December 2023 13:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্মীয় বিভাজনের সে সব কথাকে ইদানিং ঘৃণা ভাষণ বলা হয়, তাতে লক্ষ্মীসরাইয়ের দামাল ছেলে গবেষণা করেছেন বলে কটাক্ষ করেন বিরোধীরা। কারণ, ভারতের ঘরোয়া মুসলিমদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে নানান মন্তব্যের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় গিরিরাজ সিং এর আগে নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছেন। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে গিরিরাজ সিং শনিবার বলেন, “আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মধ্যে মহম্মদ আলি জিন্নার ভূত ঢুকেছে। সেই কারণেই উনি খালি মুসলিমদেরই দেখতে পান। আর সব অপরাধীর মধ্যে হিন্দু-মুসলমান অ্যাঙ্গেল খুঁজতে থাকেন।"
জাতীয় রাজনীতিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সম্পর্কে একটা ধারণা রয়েছে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল-মুসলিমিনের নেতা তিনি। মূলত নিজামের শহর হায়দরাবাদেই তাঁর শক্তি। অনেকে বলেন, ওয়াইসি এবং বিজেপির মধ্যে ভাল তালমিল রয়েছে। তাঁরা ধর্মীয় মেরুকরণের জন্য একে অপরের পরিপূরক। বিরোধী জোটের সংখ্যালঘু ভোটে ভাগ বসানোই হল ওয়াইসির মূল খেলা।
তবে এবার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি যে প্রশ্ন করেছেন, সেই প্রশ্ন অন্য বিরোধীরাও করছেন। তাঁদের বক্তব্য, সংসদের ভিজিটরস গ্যালারি থেকে যারা ঝাঁপ দিয়েছে তারা বিজেপি সাংসদের থেকে অনুমতিপত্র পেয়েছিলেন। তারা যদি কোনও কংগ্রেস বা বিরোধী দলের সাংসদের থেকে সেই অনুমতিপত্র জোগাড় করত তাহলে বিজেপি কী করত তা আন্দাজ করা যাচ্ছে।
তার জবাবে এদিন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, “নরেন্দ্র মোদী সরকার সন্ত্রাসবাদীদের জাত বা ধর্ম দেখে না। কিন্তু বিরোধীরা জিজ্ঞেস করছে সংসদে নিরাপত্তার ত্রুটির নেপথ্যে থাকা অভিযুক্তরা যদি মুসলিম হত তাহলে কী হত!”
গিরিরাজ আরও বলেন, “বিরোধীরা সন্ত্রাসবাদীদের কেবল হিন্দু-মুসলমানের আতস কাচে দেখতে চান। কিন্তু অমিত শাহ পালিয়ে যাওয়ার লোক নন, তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে জানেন।”