
শেষ আপডেট: 21 January 2024 13:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সারা পৃথিবী জুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা তুঙ্গে উঠেছে। একাধিক দেশে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন ‘রামভক্ত’রা।
অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার গোটা অনুষ্ঠানটি আমেরিকার ৩০০টি অঞ্চলে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত টাইমস স্কোয়ার। প্যারিসের আইফেল টাওয়ারও সেজে উঠছে এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে।
উন্মাদনায় অবশ্যই এগিয়ে রয়েছে আমেরিকা। ২১টি জায়গা থেকে সুদীর্ঘ ‘কার র্যালি’ বের করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আমেরিকা শাখা ১০টি প্রদেশে চল্লিশটিরও বেশি বিলবোর্ডের ব্যবস্থা করেছে। যার মধ্যে রয়েছে টেক্সাস, ইলিওনিস, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সির মতো অঞ্চলও। ২২ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহব্যাপী উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে মন্দিরগুলি। ১০০ জনের বেশি টেলসা গাড়ির ‘রামভক্ত’ মালিক তাঁদের গাড়ি নিয়ে পৌঁছে যাবেন মেরিল্যান্ডের শ্রী ভক্ত অজ্ঞেয় মন্দিরে, সেখানকার পার্কিং লটটিকে ঈশ্বর আরাধনার মঞ্চে পরিবর্তিত করে দেবেন। আলোর খেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলবে রাম ভজন। গোটা অনুষ্ঠানটি রেকর্ড করা হবে ড্রোন ক্যামেরায়। এছাড়া প্রাণ প্রতিষ্ঠার মুহূর্তে একাধিক শহরের ভক্তরা গাড়ির হর্ন বাজিয়ে, গেরুয়া পতাকা উড়িয়ে ও রাম ভজন গেয়ে পালন করবেন।
ফ্রান্স তৈরি রথযাত্রার জন্য। যদিও প্রাণ প্রতিষ্ঠার মুহূর্তে নয়, তার ২৪ ঘণ্টা আগেই টান পড়বে রথের রশিতে। স্থানীয় সময় দুপুর ১২ টায় দে লা চ্যাপেল থেকে রথের চাকা গড়িয়ে থামবে আইফেল টাওয়ারে। কানাডার ওকভিল ও ব্র্যাম্পটন শহরের মেয়ররা সমস্ত আবাসিককে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে উদযাপন করতে আহ্বান করেছেন। শুধু তাই নয়, ২২ জানুয়ারি চিহ্নিত করেছেন ‘অযোধ্যা রাম মন্দির দিবস’ হিসেবে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানটি সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও মরিশাসে।
মরিশাসে হিন্দু কর্মচারীদের দু’ঘণ্টা ছুটি দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানটি নির্ভাবনায় উপভোগ করতে পারেন। মরিশাসের জনসংখ্যার ৪৮ শতাংশ হিন্দু হওয়ায় খুব স্বাভাবিক ভাবেই ২২ জানুয়ারি উদযাপন যথেষ্ট বর্ণাঢ্যভাবেই হবে আশা করা যায়। আপাতত জানা গেছে ২২ জানুয়ারি এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে। রামায়ণ পাঠে মুখরিত হয়ে উঠবে সমস্ত মন্দির। মরিশাসের হাই কমিশনার জানিয়েছেন, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানটি শুধু ভারতের জন্য নয়, মরিশাসের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান।