
সুপ্রিম কোর্ট
শেষ আপডেট: 10 February 2025 16:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসসি-র ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি শেষ। রায়দান স্থগিত রাখলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কীভাবে যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা যাবে তার কিছুই বলতে পারল না সিবিআই। কোনও সমাধান সূত্র বেরোল না শীর্ষ আদালতে।
গত ২৭ জানুয়ারি শেষবার সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি উঠেছিল। আজ ফের মামলা ওঠে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে। দুপুর ২টায় শুনানি শুরু হয়। এদিনও বিতর্কিত নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে কীভাবে বাঁচানো যাবে যোগ্যদের, সেই দিশা দেখাতে পারেননি কোনও পক্ষের আইনজীবী।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, "পঙ্কজ বনসলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ওএমআর শিট নিয়েও আমরা সন্দিহান। কোন তথ্য আসল? কমিশনের নাকি পঙ্কজ বনসলের? বলতেই পারছে না কমিশন।" পুরো প্যানেল বাতিলের পক্ষেই সওয়াল করেন চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী।
সিবিআই-এর আইনজীবী জানান "হাইকোর্টে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং রাজ্য, কেউই স্পষ্ট করে অবৈধ চাকরি প্রাপকদের নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে পারেনি। তথ্য চেয়ে আমরা প্রথমে NYSA-র কাছে যাই। সেখানে আমরা কিছু পাইনি। তারপর আমরা Data Scantech-এর কাছে যাই। তারা তথ্য ডিলিট করে দিলেও আমরা উদ্ধার করতে পারি। আমরা পঙ্কজ বনসলের কাছ থেকে তিনটি হার্ড ডিস্ক পাই।"
সিবিআই-এর আইজীবী আরও জানান, "আমদের কাছে যাচাই করে দেখার জন্য দু'টি তথ্য ভাণ্ডার ছিল। পঙ্কজ বনসলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য সঠিক, কারণ তাঁর তথ্য এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের মিল রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যে বিতর্কিত চাকরিপ্রাপকরা সিবিআইয়ের কাছে থাকা ওএমআর শিট খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা কেউই বলেননি যে ওই ওএমআর তাঁদের নয়।"
চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী সওয়াল করেন, শনাক্ত না হওয়া একজন অযোগ্য প্রার্থীও যদি চাকরিতে বহাল থেকে যায়, তাহলেও তার মাধ্যমে একজন যোগ্যকে বঞ্চিত করা হবে। কে কতদিন চাকরি করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।"
এখন কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে এসএসসি ২৬ হাজার চাকরি প্রাপকদের যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব তা বলবে ভবিষ্যৎ। কোনও সমাধান সূত্র না মেলায় রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।