
প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 29 August 2024 07:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিজনক ব্যবহার করেছিলেন টিউশন শিক্ষক। এমনই অভিযোগে তাঁকে নগ্ন করে হাঁটালেন স্থানীয়রা এবং ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা। মহারাষ্ট্রের পালঘরের এই ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, ওই শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে এফআইআর লিখেছে তারা। রুজু হয়েছে মামলা।
সূত্রের খবর, পালঘরের ভিরার এলাকায় ১৩ বছরের এক কিশোরী হঠাৎ করেই টিউশন ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় তার মা-বাবা প্রশ্ন করে। প্রথমে সে কিছু বলতে না চাইলেও, পরে জানায়, ওই টিউশনের শিক্ষক তাকে যৌন হেনস্থা করেন।
এর পরেই মেয়েটির মা-বাবা কয়েকজনকে নিয়ে গিয়ে চড়াও হয় অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের উপর। শুরু হয় বচসা, তা গড়ায় হাতাহাতিতে। শেষে তাকে ক্লাস থেকে বের করে নিয়ে আসে সবাই মিলে। জামাকাপড় খুলিয়ে হাঁটানো হয় রাস্তায়।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই মেয়েটি ছাড়াও টিউশনের আরও অন্য মেয়ের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করতেন ওই শিক্ষক। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করছে তারা। জবানবন্দিও নিয়েছে। পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হবে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মহারাষ্ট্রেরই বদলাপুরে চার বছরের দুই স্কুল পড়ুয়া নাবালিকাকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তাই নিয়ে প্রতিবাদে-বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল মহারাষ্ট্রের নানা প্রান্ত। একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের টয়লেটে ভিতরে স্কুলেরই সাফাইকর্মী ওই দুই নাবালিকার যৌন নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়।
পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় টয়লেটে কোনও মহিলা কর্মী ছিলেন না। এছাড়াও স্কুলের অধিকাংশ সিসিটিভি ক্যামেরা অচল। এই মামলা ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে বিচারের জন্য ঠানের পুলিশ কমিশনারকেও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযোগের পরেই প্রিন্সিপালকে সাসপেন্ড করেছে। বরখাস্ত করা হয়েছে ক্লাস টিচার ও আয়াকে।
বদলাপুর মামলার তদন্ত এখনও চলছে, চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভও। তার মধ্যেই সামনে এল পালঘরের এই ঘটনা।