
স্কুলে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় - ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 18 August 2024 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যৌন হেনস্তা, ধর্ষণের মতো ঘটনার খবর দেশের নানা প্রান্ত থেকেই আসছে। দিনদিন তা যেন বেড়েই চলেছে। এবার স্কুলের মধ্যেও এমন ঘটনা ঘটল যা সকলকে ভয় পাওয়াবে। অসমের একটি স্কুলের ছাত্রীকে জোর করে পর্নোগ্রাফি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। আর এর জেরেই স্কুলের ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক।
অসমের করিমগঞ্জ জেলার একটি সরকারি স্কুলে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ, ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক একজন ছাত্রীকে জোর করে পর্নোগ্রাফি দেখানোর চেষ্টা করেছেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই বাকি পড়ুয়াদের অভিভাবকরা স্কুলে গিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। যদিও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ওই শিক্ষক পালিয়ে গেছেন বলে খবর। ছাত্রীর বাবা-মার অবশ্য দাবি, শুধু পর্নোগ্রাফি দেখানো নয়, যৌন হেনস্তাও করা হয়েছে তাঁদের মেয়েকে।
পুলিশকে ছাত্রীর পরিবার জানিয়েছে, বিগত কয়েক দিন ধরেই এমন ঘটনা ঘটছিল। তারা কিছু সন্দেহ করছিলেন কিন্তু মেয়ে ভয়েতে তাঁদের কিছু বলেনি। অবশেষে শনিবার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এরপরই স্কুলে গিয়ে বাকি পড়ুয়াদের অভিভাবকরা ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন। শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। তারপরই পুলিশ শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে। তাঁর খোঁজ শুরু করা হয়েছে।
স্কুলে গিয়ে যখন অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তখন স্কুলেই ছিলেন প্রধান শিক্ষক। তাঁর ওপর অনেকে চড়াও হন। কিন্তু কোনও রকমে নিজেকে বাঁচিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। পুলিশ জেনেছে তিনি বাড়িতে নেই, অর্থাৎ অন্য কোথাও লুকিয়ে আছেন। এদিকে স্কুলে ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর ঘটনার প্রেক্ষিতেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। তাঁর বক্তব্য, সরকারি সম্পত্তি যারা নষ্ট করেছে তাঁদেরও ছাড়া হবে না।