.webp)
সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 22 April 2024 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্ষণের শিকার ১৪ বছরের নাবালিকাকে ৩০ সপ্তাহের গর্ভপাতের অনুমতি। সোমবার এই নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে বম্বে হাইকোর্ট গর্ভপাতের অনুমতি খারিজ করে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট আরও বলেছে, নাবালিকার পক্ষে এখন প্রতিটি ঘণ্টা অত্যন্ত সঙ্কটজনক। এদিন সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, এই মুহূর্তে নির্যাতিতার গর্ভপাত করানো হোক।
শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ চিকিৎসাকারী হাসপাতালকে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নিয়ে একটি টিম গঠন করতে বলেছে। চিকিৎসকদের এই দল এই মুহূর্তে নাবালিকার গর্ভপাতের দায়িত্ব নেবে বলে নির্দেশে বলেছে আদালত।
বেঞ্চ আরও বলেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নাবালিকার জীবন সুনিশ্চিত করতে সমস্তরকম ব্যবস্থা নেবে। মহারাষ্ট্র সরকার চিকিৎসার সমস্তরকম খরচ বহন করতে সম্মত হয়েছে। প্রসঙ্গত, বোম্বে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নাবালিকার মা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
গত ১৯ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট নাবালিকার শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল। নির্যাতিতার মা গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত মুম্বইয়ের ওই হাসপাতালের কাছে মেয়েটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা রিপোর্ট তলব করে। তার পক্ষে গর্ভপাতের ধকল সহ্য করা সম্ভব কিনা, তা জানতে চাওয়া হয়। হাসপাতালের কাছে এও জানতে চাওয়া হয় যে, মেয়েটির বাড়ির লোককে গর্ভপাত না করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল কিনা।
বেঞ্চ হাসপাতালের সুপারকে চিকিৎসকদের একটি দল গঠনের নির্দেশ দেয়। এবং ২২ এপ্রিলের আগে তা আদালতে জমা করতে বলেছিল। প্রসঙ্গত, গর্ভপাত সংক্রান্ত আইনে বলা হয়েছে, ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাত করা চলে। বিবাহিত রমণী, ধর্ষিতা নারী, বা বিশেষভাবে সক্ষম ও নাবালিকাদের ক্ষেত্রে এটাই সর্বোচ্চ সময়সীমা হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু, এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট ৩০ সপ্তাহের গর্ভবতী ধর্ষিতা নাবালিকাকে ভ্রুণ নষ্ট করার অনুমতি দিল।