ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 10 February 2025 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগীদের স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার চেয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানি হবে। ২০১৯ সালে দিল্লি হাইকোর্টের রায় পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিআর গাভাই ও কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ।
এর আগে ২০২০ সালে, শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে নোটিশ পাঠায় এবং ২০১৯ সালে দায়ের করা আবেদনের উপর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের থেকে জবাব চেয়ে পাঠানো হয়। জানা গেছে, অল ক্রিচার্স গ্রেট অ্যান্ড সমল নামে একটি বেসরকারি সংস্থা দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।
বেসরকারি সংস্থার দাবি ছিল, দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে জলাতঙ্ক রোগীদের জন্য এমন একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করা উচিত যাতে তাঁরা স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য চিকিৎসকদের সাহায্য নিতে পারেন। এই নির্দেশ যাতে দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়া হয় সে কারণেই শীর্ষ আদালতে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। সোমবার মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, ২০১৮ সালে কেন্দ্র এ বিষয়ে একটি পাল্টা হলফনামা দাখিল করেছে। দু’সপ্তাহের মধ্যে আবেদনের শুনানি হবে বলে জানিয়েছে বেঞ্চ।
২০১৮ সালের ৯ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ মৃত্যুর অধিকারকে জীবনের অধিকারের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। পরোক্ষ ইচ্ছামৃত্যুকে বৈধতা দেয়। কিন্তু জলাতঙ্ক রোগীদের জন্য যাতে ব্যতিক্রমী কোনও পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছিল। জানানো হয়, জলাতঙ্কে মৃত্যুর হার ১০০ শতাংশ, এটা অন্যান্য রোগের তুলনায় অনেক যন্ত্রণাদায়ক।
তবে শীর্ষ আদালত পরিষ্কার জানিয়েছিল, রোগী চাইলেই স্বেচ্ছামৃত্যু পাবেন না। নিয়ম অনুসারে, দুটি মেডিক্যাল পর্যবেক্ষণের পরই এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। বলা হয়েছে, প্রথমে তিনজন চিকিৎসকের প্রাইমারি বোর্ড রোগীকে দেখবেন।
তারপর যদি রোগীর বেঁচে থাকার কোনরকমের সম্ভাবনা না থাকে তাহলে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা এবং পর্যালোচনা। সেখানেই দ্বিতীয় মেডিক্যাল বোর্ডে থাকবেন আরও তিনজন চিকিৎসক এবং একজন সরকারের চিকিৎসক নিযুক্ত থাকবেন। এবং সেই দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।