শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, পথকুকুরদের নির্বীজকরণের পর ছেড়ে দিতে। শুধুমাত্র বেপরোয়া, একরোখা ও হিংস্র কুকুরকে খোঁয়াড়ে বন্দি করে রাখতে।

আগে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা খানিকটা শুধরে পর্যালোচনা করে রায় দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
শেষ আপডেট: 22 August 2025 11:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পথকুকুর নিয়ে পূর্ববর্তী নির্দেশে খানিকটা রদবদল করে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, পথকুকুরদের নির্বীজকরণের পর ছেড়ে দিতে। শুধুমাত্র বেপরোয়া, একরোখা ও হিংস্র কুকুরকে খোঁয়াড়ে বন্দি করে রাখতে। অর্থাৎ, আগে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা খানিকটা শুধরে পর্যালোচনা করে রায় দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। এদিন তিন সদস্যের বিচারপদের বেঞ্চ এই রায় দিল। বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা ও এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, যেসব কুকুরদের ব়্যাবিসের মতো রোগ রয়েছে, তাদের আর ছেড়ে দেওয়া হবে না।
গত ৮ অগস্টের নির্দেশে কিছুটা সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, রাস্তার কুকুরগুলিকে ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। এই রায়ে পশুপ্রেমী সংগঠনগুলি খুশিতে আত্মহারা হয়ে গিয়েছে। অনেকেরই অনুমান ছিল, পূর্বের নির্দেশে পথকুকুর সম্পূর্ণত বিনাশ করে ফেলা হবে। শীর্ষ আদালত নয়া রায়ে বলেছে, যে কুকুর ব়্যাবিস রোগাক্রান্ত কিংবা অত্যন্ত হিংসাত্মক আচরণের তাদের প্রতিষেধক নিয়ে পৃথক আস্তানায় রেখে দিতে হবে।
মামলার বিবরণ বিস্তারিত পাঠ করে পরবর্তীতে একটি জাতীয় নীতি রূপায়ন করা হবে বলে সর্বোচ্চ আদালত জানায়। আদালত স্পষ্টভাবে বলেছে, রাস্তার কুকুরদের ছেড়ে দেওয়ার নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হচ্ছে। এগুলিকে ওষুধপত্র দিয়ে রোগমুক্ত করতে হবে। প্রতিষেধক ইঞ্জেকশন দিতে হবে এবং তারপর প্রতিটিকে তাদের পাড়ায় ছেড়ে দিয়ে আসতে হবে।
যদিও সুপ্রিম কোর্ট কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, রাস্তার কুকুরদের কোনওভাবেই সাধারণ মানুষের খেতে দেওয়া চলবে না। যে বা যাঁরা এই নির্দেশ ভঙ্গ করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, কোনও পথকুকুরকে খাওয়ানো চলবে না। পথকুকুরদের জন্য নির্দিষ্ট খাওয়ার জায়গা তৈরি করতে হবে। সেখানেই তাদের খাওয়ানো যাবে।